কারাগারের সাবেক জেলার সোহেল রানার হাইকোর্টে জামিন

প্রকাশিত: ৪:৫০ অপরাহ্ণ , জুন ১৬, ২০২০

চট্টগ্রাম কারাগারের জেলার সোহেল রানা বিশ্বাসকে আদালতে পাসপোর্ট জমা রাখার শর্তে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করা পর্যন্ত সোহেল রানার জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার এ জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

আদালতে সোহেল রানার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন নাহিদ সুলতানা জ্যোতি ও শাকিলা রওশন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী শামসুন নাহার কনা ও মাহজাবিন রাব্বানী দীপা।

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে ময়মনসিংহগামী বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগি থেকে চট্টগ্রাম কারাগারের জেলার সোহেল রানাকে একটি ব্যাগসহ ২০১৮ সালের ২৭ অক্টোবর গ্রেপ্তার করা হয়। তার ব্যাগ থেকে ৪৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা, আড়াই কোটি টাকার তিনটি ব্যাংক এফডিআর, এক কোটি ৩০ লাখ টাকার তিনটি ব্যাংক চেক, পাঁচটি চেক বই ও ১২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে ভৈরব রেলওয়ে থানায় মানি লন্ডারিং ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা করে রেলওয়ে পুলিশ। এর মধ্যে আজ মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় হাইকোর্ট শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছেন। সোহেল রানা বর্তমানে কিশোরগঞ্জ কারাগারে বন্দি।

এ ঘটনার আগেও সোহেল রানা কারাগারে মাদক ব্যবসাসহ অফিসিয়াল শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে একবার বরখাস্ত হয়েছিলেন। এ ছাড়াও ২০১০ সালে কর্তব্যে অবহেলা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে তাকে বরখাস্ত করা হয়। এ সময় তার চাকরি চলে গেলে তিনি বিভাগীয় মামলায় আপিল করে ক্ষমা চেয়ে চাকরি ফিরে পান।