শনাক্ত দুই হাজার ৮৫৬ জন

দেশে ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত: ২:৫৯ অপরাহ্ণ , জুন ১৩, ২০২০

দেশে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল এক হাজার ১৩৯ জনে।

একই সময়ে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও দুই হাজার ৮৫৬ জন। ফলে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৮৪ হাজার ৩৭৯ জনে।

শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

বরাবরের মতোই করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে সবাইকে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, মুখে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানান ডা. নাসিমা।

এদিকে আজ শনিবার বাংলাদেশ সময় সকাল পর্যন্ত বিশ্বখ্যাত জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী,  গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের তালিকায় যুক্ত হয়েছে বিশ্বের ১ লাখ প্রায় ৪১ হাজার মানুষ। এতে করে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে আক্রান্ত ৭৭ লাখ ২৬ হাজার ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। প্রাণ গেছে আরও ৪ হাজার ৪০৩ জনের। নিয়ে বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪ লাখ ২৭ লাখ ৬৮৯ জন। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৩৯ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি মানুষ।

এছাড়া পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে করোনা। প্রতিদিনের ন্যায় আবারও সর্বোচ্চ আক্রান্ত নিয়ে সংক্রমণে যুক্তরাজ্যকে পেছনে ফেলে শীর্ষ চারে উঠেছে দেশটি। এতে করোনার ভুক্তভোগীর সংখ্যা বেড়ে ৩ লাখ ছুঁই ছুঁই।

ভারতের কেন্দ্রিয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১১ হাজার ৪৫৮ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এতে করে আক্রান্ত বেড়ে হয়েছে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৯৩ জন। এর মধ্যে মহারাষ্ট্রেও লাখ ছাড়াল সংক্রমণ। অপরদিকে, আবারও একদিনে সর্বোচ্চ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার ৩৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়। এ নিয়ে মোট ৮  হাজার ৮৮৪ জন মারা গেলেন ভাইরাসটিতে। এর মধ্যে মহারাষ্ট্রেই মৃত্যু হয়েছে তিন হাজার ৭১৭ জনের। গুজরাটে ১ হাজার ২১৪ জন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে উৎপত্তি হওয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হন ৮ মার্চ এবং এ রোগে আক্রান্ত প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারী ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।