অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শুরু

প্রকাশিত: ৮:৩৮ অপরাহ্ণ , জুন ১২, ২০২০

দেশের অর্থনীতিতে কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাবকে সামনে রেখে সরকার অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন কাজ শুরু হয়েছে। চলতি বছর ৩০ জুনে সপ্তম পঞ্চমবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। এরই প্রেক্ষিতে ‘কাউকে পিছনে ফেলে নয়’ শ্লোগানকে সামনে রেখে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন কাজ শুরু হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মোস্তফা কামাল গতকাল জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ২০২০-২১ হতে ২০২২-২৩ মধ্যমেয়াদী সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি বিবৃতিতে এ কথা জানান।

নীতি বিবৃতিতে বলা হয়, কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাব মূল্যায়নে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন একটি স্টাডি সম্পন্ন করেছে। এই স্টাডির ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি দারিদ্র হ্রাস কার্যক্রম এবং প্রবৃদ্ধির ওপর কি ধরনের প্রভাব ফেলবে উক্ত স্টাডিতে এই দিকটিও বিশেষভাবে ওঠে এসেছে।

অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় যেসব বিষয় সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তা হচ্ছে ত্বরান্বিত সমৃদ্ধি ও অন্তর্ভূক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি। তাই, বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সূচকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলকে গুরুত্ব দিয়ে আগামী অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশ যাতে এলএসডি হতে উত্তরণে এসডিজি বাস্তবায়নে সফল হয় সেই বিষয়টি অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

কোন দরিদ্র জনগোষ্ঠী বা অঞ্চলকে পিছনে ফেলে রেখে উন্নয়ন অভীষ্ঠ লক্ষ্য এসডিজি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তাই, ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় যাতে প্রবৃদ্ধির সুবিধা সকলের কাছে সমান ভাবে পৌঁছানো যায় তা বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে নীতি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-২০৪১ এবং সরকারের ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহার অনুসরণ করা হবে। বাংলাদেশ ইতেমধ্যে
নিম্ন মধ্যম আয়ের মর্যাদা অর্জন করেছে এবং স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে প্রাথমিক উত্তরণের ভিত্তি স্থাপন করেছে।

আগামী পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় প্রস্তুতকৃত মূল সামষ্টিক অর্থনৈতিক কাঠামোতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে নীতি বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন।