নো.বি.প্র.বি. মৎস্য ও সামুদ্রিক বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান গবেষক ড.জাহাঙ্গীর সরকার ব্যাপক সফলতা লাভ করে সুনাম অর্জন করেছেন

প্রকাশিত: ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ , জুন ১০, ২০২০

নো.বি.প্র.বি. মৎস্য ও সামুদ্রিক বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান গবেষক ড.জাহাঙ্গীর সরকার ব্যাপক সফলতা লাভ করে সুনাম অর্জন করেছেন । নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য ও সামুদ্রিক বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর সরকার ব্যাপক সফলতা লাভ করে সুনাম অর্জন করেছেন। প্রসঙ্গত, ড.জাহাঙ্গীর সরকার ১৯৭৩ সালে নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলায় সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৮ সালে মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদ থেকে স্নাতক এবং ২০০০ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করে জাপানের হিরোসিমা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তরুন সময়ে মাত্র ৩২ বছর বয়সে পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। এছাড়া ২০০৪ সালের এপ্রিল মাস থেকে ২০০৮ সালের জুন মাস পর্যন্ত জাপানের শিল্প, ব্যাবসা ও বানিজ্যিক মন্ত্রনালয়ের অধীনে বিশ্বের সুনামধন্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অব এডভান্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি এর স্থায়ী গবেষক হিসেবে কাজ করেন এর পর স্থায়ী চাকরি ছেড়ে পৃথিবীর বিখ্যাত ২৩০ তম সৌদি আরবের কিং ফাহাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই বিশিষ্ট গবেষক ২০০৪ সাল থেকে এই পর্যন্ত ইউএসএ ও জাপানসহ পৃথিবীর বহুদেশে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। চলতি বছর সেপ্টেম্বরে জাপানের হিরোসিমাতে এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন। উক্ত সম্মেলনে গবেষণা ও প্রশিক্ষণের জন্য নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই এমএস শিক্ষার্থীকে বিনা খরচে অংশগ্রহন করার সুযোগ করে দেন তিনি যা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগের জন্য অনুপ্রেরণা যোগিয়েছে। জাপানসহ বিদেশের বিভিন্ন নামী-দামী বিশ^বিদ্যালয়ের গবেষনার চাকুরী বাদ দিয়ে তিনি একমাত্র দেশের টানে দেশ জাতির পিছিয়ে পরা মানুষগুলোকে ভাল কিছু করে দিতে সকলের প্রত্যাশা পূরণ করতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করে ২০১২ সালের মার্চ মাসে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য ও সামুদ্রিক বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। প্রায় ছয় বছর চাঁর মাস ধরে বিভাগটির সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর ২০১৮ এর জুলাই মাসে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেন, যেখান সাধারনত ৩ বছর পর পদোন্নতি হয়ে থাকে। এছাড়া অনেক বাংলাদেশী ও বিদেশী মাস্টার্স ছাত্র-ছাত্রীদের গবেষণা কাজে দায়িত্ব পালন করেন। এই বিভাগটির জন্য তিনি গবেষণা তহবিল গঠন করেন। ড.জাহাঙ্গীর সরকার দেশে ও বিদেশে বহু গবেষণা প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করে অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। এ কাজ করে গবেষণা কাজের সফলতা অর্জন করেছেন। বর্তমানে দুইটি গবেষণা প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করছেন, যার একটির উদ্দেশ্য মৎস্য চাষের ফলে পাশ্ববর্তী কৃষিজমির বিভিন্ন ধরনের প্রভাব নিরুপন করা। এছাড়া ইলিশের আকার ছোট হওয়ার কারন উদঘাটনের জন্য নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও জাপানের হিরোসিমা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ে দ্রুত গবেষণা চালু করেন। বিশিষ্ট গবেষক ড. জাহাঙ্গীর সরকার ল্যাবের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি ও উন্নত মানের গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবী বাস্তবায়ন করেন। বিশিষ্ট গবেষক ড. জাহাঙ্গীর সরকার বলেন,প্রতিযোগিতা ছাড়া সফলতা অর্জন করা সম্ভবনা আমি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশে এবং আন্তজার্তিক পর্যায়ে গবেষণা কাজের বড় ধরনের অবদান রাখতে দিন রাত পরিশ্রম করছি। এ সরকারের আমলে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ভিসি প্রফেসর ড. মো: দিদার-উল-আলম এর সার্বিক সহযোগিতায় গবেষণার কাজ করে এ প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের অনেক দুর এগিয়ে নিতে অকান্ত পরিশ্রম করে সফলতা ধরে রাখার জন্য গবেষনা করে যাচ্ছি। মেধাবী আর্দশবান ও যোগ্য সৎ মানুষ এর মত দেশ ও জাতি সাধারন মানুষের জন্য ভাল কিছূ করতে সব সময় প্রাণপণ প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছি। লোভ, লালসা, অনিয়ম, দূর্নীতিসহ সকল অপকর্ম থেকে বিরত থাকতে নিজের ইচ্ছার বিরোদ্ধে সব সময় যুদ্ধ করে আল্লাহর রমতে সুনামের সাথে এ পযর্ন্ত আসতে পেরেছি। এ প্রতিষ্ঠানের সকল গবেষণার ক্ষেত্রে অনেক সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। সকলের সহয়োগিতা কামনা করছি। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সায়লা পারভিন বলেন, গবেষক ড. জাহাঙ্গীর সরকার জাপানসহ বিদেশের নামী-দামী বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়ের গবেষণার চাকুরী বাদ দিয়ে দেশের টানে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করে বিদেশী বিশ^বিদ্যালয় এর সাথে পাল্লা দিয়ে এ প্রতিষ্টান শিক্ষার্থীসহ আরো ভাল কিছু উপহার দিতে সব সময় নিরলসভাবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে দক্ষ গবেষক হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি নিজ ও পরিবার জন্য তেমন সয়ম দিতে না পারলেও দেশ ও প্রতিষ্ঠান জন্য সব সময় গবেষনা কাজে নিয়োজিত থাকেন। নিজ পরিবার, আতœীয় স্বজনসহ এলাকার সমাজ সেবা কাজে অনেক মহৎ মানুষ হিসেবে অবদান রেখেছেন। যোগ্যতা আর্দশ সততা মেধা দিয়ে গবেষণার কাজে অরো সফলতা অর্জন করার জন্য সর্বদা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সফল মানুষ হিসেবে বিরাট সুনাম রয়েছে। তিনি অনেক পরিশ্রমী সৎ সাহসী সাদা মনের মানুষ হিসেবে আগামী দিনে দেশ জাতিকে আরো ভাল কিছু উপহার দিবে বলে প্রত্যাশা করছি। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এন্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগের ¯œাতোকোত্তর শিক্ষার্থী আফসানা কবির দীপ্তি বলেন, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য ও সামুদ্রিক বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান যোগ্য সফল গবেষক ড. জাহাঙ্গীর সরকার স্যারের প্রচেষ্টায় গবেষণা কাজে জাপান বিশ^বিদ্যালয়ে কর্মশালায় অংশগ্রহণ ও প্রেসিডেন্ট পদক লাভ করার জন্য স্যারের যথেষ্ট অবদান রয়েছে, স্যার গবেষনা কাজে আরো ভাল কিছু সফলতা ধরে রাখতে পারে এই প্রত্যাশা করছি।