নোয়াখালীতে অবৈধ বালু উত্তোলন করায় প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি অভিযোগ

প্রকাশিত: ৪:৪০ অপরাহ্ণ , ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২১
নোয়াখালী সদর উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ডে  অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সূএে জানা গেছে লক্ষিপুর জেলার কমল নগর থানার চর জাঙ্গালিয়া গ্রামের মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে মো.শফিকুল ইসলাম (৫৪)সুধারাম মডেল থানায় হাজির হয়ে,গত ২৭ শে ফেব্রুয়ারি শুক্রবার ৩ জনকে বিবাদী করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।বিবাদীরা হলেন,আন্ডারচর ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ডের রফিক মাঝির ছেলে মিজানুর রহমান(৩২)আলমগীর হোসেন(৩০)আন্ডারচর ইউপি চেয়ারম্যান আলী হায়দার বকশির ছেলে ইসমাইল হোসেন(২৮)সহ মোট তিন জনকে বিবাদী করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।পরে শনিবার সকালে সুধারাম মডেল থানার এ এস আই মো. জহির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং অভিযুক্তদের অবৈধ বালু উত্তোলন সহ তাদের মেশিন বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করে
চলে আসার পর থেকে রবিবার বেলা ১২ টা পর্যন্ত বালু উত্তোলন মেশিন চলতে থাকে।অভিযোগ কারী শফিকুল ইসলাম বলেন,২ একর সম্পত্তির আমি মালিক থাকিয়া দীর্ঘদিন যাবত ভোক দখলে আছি যে পুকুর থেকে অভিযুক্ত বিবাদীরা জোর পৃর্বক বালু উত্তোলন করছে।তোফছিল ভুমির বিবরণ উত্তর পাশ্বে আমি মাদ্রাসার জন্য দানকৃত মো.নুরুল ইসলামের নুরানি মাদ্রাসা,এর দক্ষিন পাশ্বে পুকুর,পশ্চিম পাশ্বে ফয়েজ আহমেদ এবং পৃর্বপাশ্বে মাওলানা মনির ও মাওলানা কবিরের বসত বাড়ি ঘর।এ বিষয়ে স্থানীয় কাজি ইয়াহিয়া,মাদ্রাসা শিক্ষক মো.মহিউদ্দিন,মো.সিরাজ মিয়া.আলেয়া বেগম সহ আরও অনেকে বলেন,বিবাদীগন আন্ডারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের প্রবাব বিস্তার করে জবর দখল সহ নানা অপকর্মে লিপ্ত থেকে তারা সমাজের পারপেয়ে যাচ্ছে,তারা আন্ডারচর ইউনিয়নকে জিম্মি করে রেখেছে।
তাদের বিরুদ্ধে ওই এলাকার কেউ মুখলে তাদের বিএনপি ও জামাত শিবির উপাধ  দিয়ে তাদের বিভিন্ন মামলা হামলায় জড়ায়।
উল্লেখ্য,নোয়াখালী সদর উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়ন পরিষদের শান্তির হাট বাজারের ৫০ শত গজ পর্বে আবুতাহের সড়ক নামে প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার রোডের সংঙ্কার কাজে এ ব্যক্তিগত বালু ব্যবহার করছে।
অপরদিকে ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম কান্নায় জর্জরিত কন্ঠে সাংবাদিকদের জানায়,ইউপি চেয়ারম্যান আলী হায়দার বকশির ছেলে ইসমাইল হোসেন আমার মালিকানা তোফছিল ভুমিতে জোর পৃর্বক প্রবেশ করে বালু উত্তোলন মেশিন বসিয়ে। এতে আমার প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।তাই এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও ভুমি কর্মকর্তা সহ নোয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা জাহান উপমা সু-দৃষ্টি কামনা করছে ক্ষতি-গ্রস্থ শফিকুল ইসলাম।