ঢাকায় পৌঁছেছে চীনের বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল দল

প্রকাশিত: ১২:১০ অপরাহ্ণ , জুন ৮, ২০২০

নভেল করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) মহামারির বিরুদ্ধে যুদ্ধে সহযোগিতা দিতে আজ সোমবার সকালে ঢাকায় এসেছে চীনের বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক দল। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দলটিকে স্বাগত জানান।

ঢাকায় চীনের মিশন উপপ্রধান হুয়ালং ইয়ান গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় জানান, আজ সোমবার সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে চীনের ওই দলটির ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। দলটি আগামী দুই সপ্তাহ বাংলাদেশে অবস্থান করবে।
এদিকে ঢাকায় চীন দূতাবাস গতকাল দুপুরে ঢাকায় আসার জন্য বিশেষজ্ঞ দলটির একটি প্রস্তুতিমূলক বৈঠকের ছবি প্রকাশ করে লিখেছে ‘আমরা প্রস্তুত।’
চীন দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়ার প্রাক্কালে চীনা মেডিক্যাল বিশেষজ্ঞ দলটি পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েছে। তারা বাংলাদেশে কভিড-১৯ মহামারি পরিস্থিতির দিকে দৃষ্টি রেখেছেন। তারা বাংলাদেশ পরিস্থিতি, বাংলাদেশের জনগণের জন্য যথার্থ উদ্যোগ ও পরামর্শ কী হবে সে বিষয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, কভিড-১৯ মহামারির বিরূদ্ধে যুদ্ধে বাংলাদেশের চিকিত্সকদের সঙ্গে অধিকতর দক্ষভাবে যোগাযোগ ও সহযোগিতার জন্য তারা ভালো প্রস্তুতি নিয়েছেন। তারা আশা করছেন, এ দেশের চিকিত্সকদের সঙ্গে তাদের ভালো যোগাযোগ হবে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, চীন এর আগে বেশ কিছু দেশকে করোনা মোকাবিলায় সহযোগিতা দিয়ে। বাংলাদেশে করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে চীনের চিকিত্সকদের সহযোগিতার বিষয়টি বিভিন্ন মহলে আলোচিত হচ্ছিল। গত ২০ মে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপে বাংলাদেশে চীনা বিশেষজ্ঞ মেডিকেল দল পাঠানোর আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেন। করোনার বিরূদ্ধে সর্বাত্নক লড়াইয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সত্যিকারের বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশের পাশে থাকারও আশ্বাস দেন।
চীন দূতাবাসের কর্মকর্তারা বলেছেন, বাংলাদেশকে অব্যাহত সহযোগিতার অংশ হিসেবে চীনের বিশেষজ্ঞ মেডিকেল দলটি আজ ঢাকায় আসছে। ওই দলটির ভাইরাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রোগিদের চিকিত্সায় উলে্লখযোগ্য সাফল্য আছে।
জানা গেছে, যে ১০ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল ঢাকায় আসছে তাদের অধিকাংশই চীনের হাইনান প্রদেশের বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক। তারা বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস চিকিত্সার জন্য বিশেষ কয়েকটি হাসপাতাল কোয়ারেন্টিন সেন্টার ও নমুনা পরীক্ষা কেন্দ্র সরেজমিন পরিদর্শন করবেন। এছাড়া তারা বাংলাদেশি চিকিত্সকদের সঙ্গে এই মহামারি বিষয়ে বিশদ আলোচনা করবেন এবং এই রোগ নিয়ন্ত্রণ ও চিকিত্সা বিষয়ে কারিগরি পরামর্শ দেবেন।