নোয়াখালীতে ফের গৃহবধূকে নির্যাতনের ঘটনায়,ভিডিও ভাইরাল,আদালতে মামলা

প্রকাশিত: ৯:৪৪ অপরাহ্ণ , জানুয়ারি ১৭, ২০২১
নোয়াখালীর হাতিয়াতে স্বামীর অনুপস্থিতিতে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গৃহবধূ (৩০)কে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে পরে তার ছেলে মেয়েদের উপস্থিতিতে ঐ নারীর ওপর মধ্যযুগেীয় কায়দায় নির্যাতন চালিয়েছে সন্রাসীরা।
এ ঘটনাটি ঘটেছে একেই জানুয়ারি রাতে উপজেলার ২ নং চানন্দী ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামে।
জানা গেছে,গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে সন্ত্রাসীরা তাদের মুঠোফোনে ভিডিওটি ধারণ করে।পরে ১৬ ই জানুয়ারি সন্রাসীরা সামাজিক যোগযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় আদালতের নির্দেশে শনিবার বিষয়টি তদন্তে করতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।
 পৃর্বে গত ৫ জানুয়ারি ঐ নারী জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল -২ এ একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন। বিচারক বাদীর অভিযোগটি আমলে নিয়ে হাতিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নিদেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে,গত  পহেলা জানুয়ারি শুক্রবার রাতে স্বামীর অনুপস্থিতিতে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গৃহবধূর বসত ঘরে জোর পৃর্বক স্থানীয় সন্রাসী এনায়েত,জিয়া ওরুফে জিহাদ,ভুট্টু মাঝি ও ফারুক বাহীনি তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে ব্যর্থ হয়ে সন্ত্রাসীরা তাকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন চালায় এবং মুঠোফোনে সেই ভিডিও ধারণ করে।
 গৃহবধূর ছেলে মেয়েদের আত্মচিৎকারে আশপাশের স্থানীয় লোকজন ছুটে আসলে সন্ত্রাসীরা দৌড়ে পালায়।
পরে গৃহবধূর স্বামী বাড়িতে এসে,তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে শনিবার সকালে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।হাসপাতালে দুইদিন  চিকিৎসা নেওয়ার পরে গৃহবধূ বাদী হয়ে  আদালতে মামলা দায়ের করেন ।
 এ বিষয়ে হাতিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ গোলাম ফারুক বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৬ ই জানুয়ারি(শনিবার)ঘটনাস্থলে তদন্তে যান তিনি ও আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়ে।অভিযুক্ত নারীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যহত থাকবে জানা গেছে।