নোয়াখালীতে বিপুল ভোটে বিজয়ী আ’লীগের নৌকার প্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা

প্রকাশিত: ৬:৫০ অপরাহ্ণ , জানুয়ারি ১৬, ২০২১

নোয়াখালী কোম্পানিগন্জ বসুরহাট পৌরসভার নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের জেলা পর্যায়ের  বিভিন্ন নেতার সমালোচনা করে আলোচনায় উঠে আসা নৌকার দলীয় মেয়র প্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা।

১৬ ই জানুয়ারি(শনিবার)বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন,মেয়র প্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থার পরিবর্তনের দাবি করে বিভিন্ন স্থানে আমি বলেছিলাম। এ পৌরসভায় আমি যে উন্নয়ন মূলক কাজ করেছি এবং করোনার সময় পাহাড়ের মতো মানুষের পাশে ছায়ার মতো দাড়িয়ে ছিলাম। সবকিছু মিলিয়ে আমি মনে করি যে এ নির্বাচনে আমি শতভাগ আশাবাদী এবং জয়ী হব ইনশাল্লাহ।

 

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতার বিরুদ্ধে সমালোচনা করে আলোচনায় উঠে আসা নৌকার দলীয় মেয়র প্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা তার জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত।তিনি আরও বলেন, এ নির্বাচনে তিনি জয়ী না হলেও, যিনি বিজয়ী হবেন তাকে অভিন্দন জানিয়ে বাড়ি ফিরে যাব।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক ও সেতু পরিবহন মন্ত্রী  ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জা।
 
নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে তিনি  বিভিন্ন পথ ও কর্মী সভায় তার দলের কেন্দ্রীয় জেলার প্রায় ডজন খানেক নেতাদের বিরুদ্ধে সমালোচনা করে আলোচনায় উঠে আসেন। 
তাকে এ নির্বাচনে হারানোর জন্য অনেক  ষড়যন্ত্র করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। 
বসুরহাট পৌরসভার জনসংখ্যা প্রায় ৩৫ হাজার,শনিবার  সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোটে ব্যাপক ভোটার উপস্থিতি দেখা গেছে। নারী ভোটারদের অংশগ্রহণে জমে উঠেছে প্রায় ভোট কেন্দ্রগুলো।
বিগত ১৯৯০ইং সালে প্রতিষ্ঠিত বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনের ২১ হাজার ১১৫ জন ভোটারের মধ্যে ১০ হাজার ৪৯৪ জন নারী এবং, ১০ হাজার ৬২১ জন পুরুষ ভোটারের ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ নির্বাচনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ভোটের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক শান্তিপূর্ণ তবে ইভিএম পদ্ধতিতে হওয়ায় ভোট গ্রহণ বিলম্বিত হচ্ছে।
অপরদিকে নির্বাচনে নৌকার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মেয়র প্রার্থী মো. কামাল উদ্দিন চৌধুরীর নির্বাচনীয় অফিস সূত্রে জানা গেছে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার বাহিনির প্রায় ৪ শত সদস্য মাঠে রয়েছে এবং র‌্যাবের ৩টি টিম, বিজিবি ৪ প্লাটুন, পুলিশের মোবাইল ৯টি টিম, স্ট্রাইকিং ২টি টিম, ৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে রয়েছেন।
নির্বাচনে প্রধান দুই দলের প্রার্থীসহ মেয়র প্রার্থী ৩ জন, কাউন্সিলর ২৫ এবং সংরক্ষিত মহিলা প্রার্থী ৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো.রবিউল আলম বলেন, সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ চলছে। এখন পর্যন্ত কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।