নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আলীগের দু-গ্রুপের সংঘর্ষে ইউপি সদস্যসহ আহত- ৮ গ্রেফতার-৫

প্রকাশিত: ১১:৩২ অপরাহ্ণ , জানুয়ারি ৪, ২০২১

নোয়াখালী কোম্পানিগন্জ উপজেলার বসুরহাট পৌর এলাকায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনাস্থলে এ সময় চরএলাহী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও চর এলাহি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবদুর রাজ্জাকসহ ৮ জন আহত হয়েছে।

এ ঘটনায় পুলিশ দ্রুত এক পক্ষের মামলায়  আহত ইউপি সদস্য আবদুর রাজ্জাকসহ ৫ জনকে আটক করেন।

আহতরা হচ্ছেন, চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক,তার সহযোগী হোরণ, রাসেল, রাব্বি, কালাম এবং  ফয়সালসহ অন্তত ৮ জন আহত হন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,সোমবার সকালে  সাড়ে ১০ টার দিকে ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক উপজেলার বসুরহাট পৌর শহরে তার ভাড়া বাসা থেকে বের হয়ে যুবলীগের নেতাকর্মীরাসহ বসুরহাটে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যোগ দিতে যাচ্ছিল।

পরে হাসপাতাল এলাকায় আসলে আগে-পরে যাওয়া নিয়ে চরএলাহী আওয়ামী লীগ সভাপতি শাহাব উদ্দিন ও সেক্রেটারি গণি লোকজনের  কথা কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে শাহাব উদ্দিন ও গণির লোকজন চেয়ারম্যান ও তার লোকজনের উপর হামলা করে।

এ সময় চরএলাহী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা শাহাব উদ্দিন ও গণির লোকজন লোহার রডসহ লাঠিসোঠা নিয়ে হামলা চালিয়ে চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক স্থানীয় একটি ক্লিনিকে প্রবেশ করে।

এক পর্যায়ে হামলাকারীরা ওই ক্লিনিকের গ্লাস ভাংচুর করে সেখানে গিয়ে চেয়ারম্যান রাজ্জাকের মাথা  ফাটিয়ে দেয়।পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের  উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক অভিযোগ করে বলেন, কোনো প্রকার উসকানি ছাড়াই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সেক্রেটারির নেতেৃত্বে  মিছিলে আমাদের উপরে হামলা চালিয়ে আমাকে হত্যার করার উদ্দেশ্য পরিকল্পিত ভাবে হামলাকারীরা অতর্কিত হামলা চালালে পরে আমরা পালিয়ে ঘটনা স্থল ত্যাগ করে স্থানীয় একটি  ক্লিনিকে পালানোর পরেও তারা হামলা চালিয়ে আমার মাথা ফাটিয়ে দেয়।

এ ঘটনায় অন্তত আমার  ৮-১০ জন নেতা কর্মী আহত হয়েছেন।

তিনি সহ ৩ জনের মাথা ফাটিয়ে দেন হামলাকারীরা।

 

পরে তিনি হাসপাতাল থেকে অসুস্থ অবস্থায়

থানায় গেলে পুলিশ তাকে থানায় বসিয়ে রাখে এবং পরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি গণি প্রভাবিত হয়ে থানা পুলিশ উল্টো তার বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করে।