করোনা আক্রান্ত গণমাধ্যমের ২৪৫ কর্মী

প্রকাশিত: ১১:২০ অপরাহ্ণ , জুন ৪, ২০২০

চলমান বৈশ্বিক মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছে দেশের ৮০টি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের ২৪৫ জন কর্মী। এরমধ্যে এখন পর্যন্ত ৭৩ জন সুস্থ হয়েছেন এবং মারা গেছেন তিন জন। অন্যদিকে, করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার- বিজেসি।

সংগঠনটির নির্বাহী সদস্য শাহনাজ শারমীন স্বাক্ষরিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, আক্রান্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সম্প্রচার গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৬টি, টেলিভিশন স্টেশন ২২টি ও ৪টি রেডিও স্টেশন রয়েছে। যেগুলোতে এখন পর্যন্ত ২৪৫ জন কর্মী করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। যার মধ্যে তিন জনের মৃত্যু হলেও ইতোমধ্যেই ৭৩ জন জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

এদিকে চলমান করোনা দূর্যোগের মধ্যে নিজ সংগঠনের সব সদস্য, তাদের পরিবার ও টেলিভিশনে কর্মরত সংবাদকর্মীদের জন্য পাথওয়ের এ্যাম্বুলেন্স সেবার ব্যবস্থা করে দিয়েছে বিজেসি। তাদের জন্য পাঁচটি এ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দ থাকবে ২৪ ঘন্টার জন্য। গত শনিবার বাংলামোটরস্থ প্ল্যানার্স টাওয়ারে প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে এ সংক্রান্ত চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বিজেসির পক্ষে সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ এবং পাথওয়ের পক্ষে নির্বাহী পরিচালক এম ডি শাহীন। চুক্তিমতে, দুই সংস্থা থেকে দুজন ফোকাল পয়েন্ট সেবা নিশ্চিতে কাজ করবেন। এ বিষয়ে যোগাযোগ করতে হবে বিজেসির পক্ষে মানস ঘোষ এবং রাশেদ আহমেদের সাথে।

পাথওয়ের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরের পর বিজেসি সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ বলেন, করোনা যুদ্ধে জয়ী হতে চাইলে জনগণকে সচেতন করতে হবে। সচেতনতা বিষয়ক কার্যক্রম প্রচারের জন্য সম্প্রচার মাধ্যমের জন্য বিশেষ বরাদ্দের আহ্বান জানাচ্ছে বিজেসি। এতে করোনা থেকে জনগণ যেমন ঝুঁকিমুক্ত হবে, তেমনি গণমাধ্যমও করোনাকালীন অর্থনৈতিক সংকট থেকে মুক্ত হবে।

এর আগে সব সদস্য ও সম্প্রচার কর্মীদের জন্য গত ১১ মে থেকে ওয়ানস্পট করোনা টেস্ট শুরু করেছে বিজেসি। এরইমধ্যে প্রায় পাঁচ শতাধিক সদস্য ও সম্প্রচারকর্মী টেস্ট করেছেন। এছাড়াও টেলিমেডিসিন ও ডাক্তারি সেবার জন্য অলওয়েল-এর সাথেও চুক্তি রয়েছে বিজেসির। ওই চুক্তিমতে সদস্যরা বিনামূল্যে ঘরে বসে ডাক্তারি পরামর্শ পাচ্ছেন।

অন্যদিকে, রাজধানীর হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিজেসির সদস্য ও সম্প্রচার কর্মীদের জন্য ৫০টি বেড বরাদ্দ রয়েছে।