প্রধানমন্ত্রীর সু দৃষ্টি কামনা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়ে ও এ দেশে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পায়নী-শহিদ আনিছ মিয়া

প্রকাশিত: ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ , ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
১৯৭১ ইং সালে ২৫ শে মার্চ এই দিনে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে, পাকিস্তানি হানদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তি বাহিনীতে যোগ দান করেন।
লক্ষিপুর জেলার রহিমপুর গ্রামের মৃত এছাক মিয়ার ছেলে শহিদ আনিছ মিয়া।
জানা গেছে, তৎকালে তিনি ১৯৬৮ইং সনে সাবেক পূর্ব পাকিস্তানের চট্টগ্রাম বিভাগে ই.পি.আর বাহিনীতে যোগ দান করেন। পরে ১৯৬৯ ইং সনে তাকে পশ্চিম পাকিস্তানে বদলি করা হয়।পরে তিনি ছুটি নিজ গ্রামের  বাড়ীতে আসলে ২৫শে মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ডাকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে স্থানীয় বসুরহার্ট ঈদগাহ ময়দানে সেক্টর ২ এ বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুবক্কর সিদ্দিকের সাথে প্রশিক্ষন শেষে মুক্তিযোদ্ধে অংশগ্রহণ করে।পরে চন্দ্রগঞ্জ, হাজীর পাড়া, মান্দারী ও নোয়াখালী সদর উপজেলার ওদারহাট সহ বেগমগঞ্জ থানার বগাদিয়া নামক স্থানে যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে তিনি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গুলিতে ১০শে অক্টোবর ১৯৭১ইং সনে যুদ্ধে আনিছ মিয়া শহীদ হয়েছেন বলে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ১২নং চরশাহী ইউনিয়নের আবুল কালাম ও লক্ষীপুর জেলার সেক্টর ২ এ যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ডেপটি কমান্ডার জয়নাল আবেদিন সহ বেগমগঞ্জের সি জোনের কমান্ডার মোঃ নুরুল হুদা এবং ১২নং চরশাহী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলজার মোহাম্মদ বলেন, শহিদ আনিছ মিয়া তার ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা ছিলেন। তিনি যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গুলিতে বেগমগঞ্জ থানার বগাদিয়া নামক স্থানে শহীদ হন কিন্তুু মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আনিছ মিয়ার নাম তালিকা ভুক্ত করা হয়নী । শহিদ আনিছ মিয়ার স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৮০), কন্যা সন্তান বিউটি বেগম (৪৫), রিটু বেগম (৪০) সহ দুলাল মিয়া কান্না জর্জরিত কন্ঠে সাংবাদিকদের বলেন,
এ দেশ স্বাধীন হওয়ার ৪৯ বছর পরেও শহিদ পরিবার হিসেবে স্বীকৃতি পায়নী। মাত্র ২ হাজার টাকা সককারি  ত্রান তহবিল  হইতে সাহায্য পেয়েছি।
বর্তমানে দু’ বোন ও বৃদ্ধা মাকে নিয়ে অতি দুঃখে-কষ্টে রিক্সাচালিয়ে কোন রকমে জীবিকা নির্বাহ করছি।
 মা চিকিৎসার অভাবে আজ মৃত্যুর সাথ পাঞ্জা লড়ছে। জমি জমা ও নেই, যে বিক্রি করে মায়ের চিকিৎসা চালাবো, বাবা যুদ্ধে শহিদ হয়ে আমাদের এতিম অসহায় করে গেছে। আমরা মুক্তিযুদ্ধে শহিদ পরিবারের সন্তান হয়েও আজ পথে পথে বিখারীর মত মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। অথছ যারা ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সেজে মুক্তি ভাতা সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে, এরা কি আসলে সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধা কিনা, তা না হলে কি ভাবে এরা ১৯৭১ইং সনে যুদ্ধ না করেও আজ নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ভাবে নিজেকে হাছিল করছে।
কিন্তুু যারা মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হয়েছে অথচ তাদের কোন খোজ খবর নেই।পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী  আলবদরদের নামের তালিকা রয়েছে, কিন্তুু সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধা নাম তালিকায় নেই। শহিদ মুক্তিযোদ্ধার আনিছ মিয়ার নাম গেজেটে অন্তরভুক্ত করার জন্য প্রধান মন্রী জন নেএী শেখ হাছিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ আনিছ মিয়ার অসহায় পরিবার পরিজন।