নোয়াখালীতে বিবস্ত্র করে গৃহবধূকে নির্যাতন ও পরিকল্পনাকারী দেলোয়ার সহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

প্রকাশিত: ৪:৩৬ অপরাহ্ণ , ডিসেম্বর ১৫, ২০২০

বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নে চাঞ্চল্যকর গৃহবধূকে নির্যাতন ও ধর্ষণ এ দুই মামলায় প্রধান আসামি দেলোয়ার হোসেন প্রকাশ দেলু’সহ ১৪জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। একই সাথে মামলা দু’টি থেকে গ্রেফতারকৃত আসামি রহমত উল্যা ও মাইন উদ্দিন শাহেদকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ১৪জনের মধ্যে ৪জন এখনো পলাতক রয়েছে। দুই মামলায় এই পর্যন্ত ১২জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১৫ ই ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকালে নোয়াখালী পিবিআই কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পিবিআই চট্টগ্রাম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন।

এ মামলার অভিযুক্ত আসামীরা হলেন,দেলোয়ার হোসেন দেলু, জামাল উদ্দিন প্রকাশ প্রবাসী জামাল, নূর হোসেন বাদল, আব্দুর রহিম, মোহম্মদ আলী প্রকাশ আবুল কালাম, সামছুদ্দিন সুমন প্রকাশ কন্ট্রাক্টর সুমন, স্রিাফিল হোসেন মিয়া, মাইন উদ্দিন সাজু, নূর হোসেন রাসেল, আনোয়ার হোসেন সোহাগ, আব্দুর রব চৌধুরী প্রকাশ লম্বা চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান প্রকাশ আরিফ, মিজানুর রহমান প্রকাশ তারেক, মোয়াজ্জেম হোসেন সোহাগ প্রকাশ সোহাগ মেম্বার।জানা গেছে,গৃহবধূ নির্যাতন ও ধর্ষণ মামলা দু’টি তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর পিবিআই চট্টগ্রাম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন ও নোয়াখালী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর তদারকি করেন।

পরবর্তীতে এ ধর্ষন মামলাটি পুলিশ পরিদর্শক মো সিরাজুল মোস্তফা ও নির্যাতন মামলাটি পুলিশ পরিদর্শক মামুনুর রশিদ পাটোয়ারীকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ধর্ষণ ও নির্যাতন মামলার দুইজনসহ মোট ১২জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ৮ জন আসামি।

জামাল উদ্দিন, আব্দুর রব চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান আরিফ ও মিজানুর রহমান তারেক সহ এখনো ৪ আসামী পলাতক রয়েছে।

পিবিআই চট্টগ্রাম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানান, ১’শত পাতায় ধর্ষণ ও ৩’শত ৩২ পাতায় নির্যাতন মামলায় ১৪জন আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক উৎপল চৌধুরীর নিকট জমা দেওয়া হয়েছে এবং বাকী পলাতক ৪ আসামিকে অতিদ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা করছে পুলিশ ।