পাঁচবিবিতে শাক-সবজির মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ! ক্ষেতে কৃষকের পাহারা

প্রকাশিত: ২:১১ অপরাহ্ণ , অক্টোবর ২৫, ২০২০
পাঁচবিবির বাজারে প্রতি কেজি পটল ৬০ টাকা, বেগুন ৭০ টাকা, কচুর লতি ৩০ টাকা, করলা ৫০, লাউ মাঝারি সাইজের ৪০ টাকা, কাচা মরিচ ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, বেগুন ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ফুলকপি ১০০ টাকা, পেপে শসা ৩০ টাকা, মিষ্টি কদু ৪০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, দেশী পেয়াজ ৯০ টাকা ও লেবু ৩০ টাকা দরে খুচরা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে।

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে বাজারে সবজির মূল্যের উর্দ্ধগতির কারণে কৃষকেরা তাদের মাঠে চাষকৃত সবজি চুরির আংশখায় ক্ষেত পাহারা দিচ্ছেন। সবজি উৎপাদনে দেশের জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার খ্যাতি থাকলেও বিগত কিছুদিন আগে অতি বর্ষনের কারণে উপজেলায় সবজি চাষীরা আশানুরুপ সবজি চাষ করতে পারে নি। যে টুকু করেছিল সেটিও অতি বৃষ্টির কারণে নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে দেশের অন্যান্য স্থানের মত চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়াতে পাঁচবিবিতেও সবজির মূল্য বিগত সময়ের তুলনায় ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই দাম বৃদ্ধির কারণে নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতা নাগালের বাহিরে যেতে বসেছে। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি পটল ৬০ টাকা, বেগুন ৭০ টাকা, কচুর লতি ৩০ টাকা, করলা ৫০, লাউ মাঝারি সাইজের ৪০ টাকা, কাচা মরিচ ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, বেগুন ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ফুলকপি ১০০ টাকা, পেপে শসা ৩০ টাকা, মিষ্টি কদু ৪০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, দেশী পেয়াজ ৯০ টাকা ও লেবু ৩০ টাকা দরে খুচরা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। এর উর্দ্ধ মূল্যের কারণে কৃষকরা তাদের জমিতে চাষকৃত সবজির চুরির আশংখায় পাহারা দিচ্ছেন। উপজেলার কেশবপুর গ্রামের কৃষক ইমদাদুল, আব্দুল গফুর, কড়িয়া গ্রামের ওসমান আলী এই প্রতিবেদককে বলেন, গত কয়েক দফায় অতি বৃষ্টির কারণে বার বার জমির ক্ষেত গুলো নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে নতুন করে সবজি ক্ষেত তৈরী করেছি। বাজারে যে ভাবে সবজির দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে ক্ষেত পাহারা দেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই।

এ ব্যাপারে পাঁচবিবি উপজেলার কৃষিবিদ কর্মকর্তা লুৎফর রহমান জানান, অতি বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ জমিগুলোর ফসল আগামী ১ মাসের ভিতরে পুষিয়ে যাবে বলে তিনি আশা করেন।

অন্যদিকে বাজারে কয়েক জন ক্রেতা জানান, বাজারে নিয়মিত মনিটরিং না থাকার কারণে ব্যবসায়ীরা চাষীদের নিকট থেকে কেনা মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে সবজি বিক্রি করছে।

তবে পাঁচবিবি উপজেলার নিবার্হী কর্মকর্তা বরমান হোসেন জানায়, প্রায় বাজার মনিটরিং করা হয়, পরবর্তীতে কঠোর ভাবে মনিটরিং করা হবে।