দ্বিতীয়বার নির্বাচনে জিতে ইতিহাস গড়লেন জেসিন্ডা আর্ডান

প্রকাশিত: ৬:২৯ অপরাহ্ণ , অক্টোবর ১৭, ২০২০

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচনে জিতে ইতিহাস গড়লেন জেসিন্ডা আর্ডান। দেশটির সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে তার নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি। 

১৯৯৬ সালে প্রবর্তিত নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থায় নিউজিল্যান্ডে কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পায়নি। তবে জেসিন্ডার দল সেই রেকর্ড ভেঙে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।

৭৭ ভাগ ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, আর্ডানের বামবন্থী লেবার পার্টি পেয়েছে ৪৯ ভাগ ভোট। সে হিসেবে পার্লামেন্টের মোট ১২০টি আসনের প্রায় ৬৪টি যাবে দলটির ঘরে। তবে ভোট গণনা শেষ না হলেও এটা নিশ্চিত যে, লেবার পার্টিই থাকছে নিউজিল্যান্ডের ক্ষমতায়। আর বিরোধী দলীয় নেতা হতে যাচ্ছেন ন্যাশনাল পার্টির জুডিথ কলিন্স।

এরই মধ্যে পরাজয় মেনে নিয়েছেন জুডিথ। তিনি লেবার পার্টিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, ‘এই ফলের জন্য আপনাদের অভিনন্দন। আমি বিশ্বাস করি এটা লেবার পার্টির অভাবনীয় ফল।’

ঐতিহাসিক এই জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জেসিন্ডা আর্ডান বলেছেন, ‘অসংখ্য মানুষ যারা আমাদেরকে ভোট দিয়েছেন, নিউজিল্যান্ডের পুনর্গঠন অব্যাহত রাখায় আস্থা রেখেছেন, আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।’ এই নিরঙ্কুশ বিজয়ের পিছনে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় জেসিন্ডা আর্ডানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সফলতা ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। শান্তির দেশ নিউজিল্যান্ডে নির্বাচন উপলক্ষে কোনো মিছিল, মিটিং, মাইকিং, স্লোগান এসব কিছুই হয় না। শুধু টেলিভিশন, খবরের কাগজে কিছু আলোচনা, বিতর্ক আর রাস্তার কোথাও কোথাও থাকে প্রার্থীদের প্ল্যাকার্ড। সাধারণ প্রার্থী থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত সব প্রার্থীই নিজের হাতে সীমিত আকারে লিফলেট বিতরণ করে থাকেন।

নিউজিল্যান্ড সংসদে আসন সংখ্যা ১২০টি। তা রমধ্যে ৭২টি আসন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয় এবং বাকি ৪৮টি আসন নির্বাচিত হয় দল কত শতাংশ ভোট পেলো তার ভিত্তিতে।