ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি, মোদীকে দুষলেন রাহুল

প্রকাশিত: ৬:২২ অপরাহ্ণ , সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০

ভারতের প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক নষ্ট করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অভিযোগ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে দ্য ইকনমিস্ট পত্রিকার একটি রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতেই রাহুল গান্ধী টুইট করে বলেছেন, কংগ্রেস দীর্ঘদিন চেষ্টা করে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করেছিল। বেশ কয়েক দশক লেগেছিল এই সম্পর্ক তৈরি করতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেই সম্পর্ক নষ্ট করছেন।

টুইটে ওই রিপোর্টও দিয়েছেন রাহুল। রিপোর্টের শিরোনাম ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক দুর্বল হচ্ছে, চীনের সঙ্গে শক্তিশালী হচ্ছে’। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাহুলের মন্তব্য, ”প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যে বন্ধুহীন হয়ে থাকাটা ভয়ঙ্কর।”

গত কয়েক মাসে করোনা পরিস্থিতি, দেশের বেহাল অর্থনীতি, বেকারের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া, সাধারণ মানুষের উপর বোঝা চাপানো, কৃষি বিল নিয়ে ভোটাভুটি না করা, সাংসদদের সাসপেন্ড করা নিয়ে নরেন্দ্র মোদীর সমালোচনা করেছেন রাহুল। কিন্তু ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক বা প্রতিবেশীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব নিয়ে মুখ খোলেননি। এ বার সেটা নিয়েও মোদীকে দুষলেন তিনি।

আসলে ইকনমিস্টের রিপোর্টে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক খারাপ হয়েছে। আর এই অবস্থায় চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার চেষ্টা করছে। গত কয়েক মাস ধরে লাদাখে ভারত ও চীনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। প্রবল উত্তেজনা রয়েছে। সেনা ও মন্ত্রী পর্যায়ে একাধিকবার আলোচনার পরেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। এই অবস্থায় বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক ভালো হওয়া মানে ভারতের কাছে অশণি সংকেত। কারণ, প্রতিবেশীদের মধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গেই সব চেয়ে ভালো সম্পর্ক ছিল ও আছে ভারতের। সেখানেই রাহুলের অভিযোগ, মোদীর নীতির জন্য বাংলাদেশ সহ সব প্রতিবেশীর সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক খারাপ হচ্ছে।

পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আগে থেকেই খারাপ। সম্প্রতি চীনের সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে। নেপালও নতুন ম্যাপ প্রকাশ করে ভারতীয় এলাকা দাবি করেছে। তারপর নেপালের সঙ্গেও সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। মায়ানমার ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গেও সম্পর্ক খুব ঘনিষ্ঠ নয়। শুধু ভূটানের সঙ্গেই সম্পর্ক ভালো। বাংলাদেশের সঙ্গে চীন সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করছে বোঝার পরই সম্প্রতি বিদেশ সচিবকে ঢাকা পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। অঘোষিত সেই সফরের পর ভারত জানিয়েছিল, তারা এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশে একাধিক প্রকল্পেরকাজ শেষ করবে।

জিএইচ/এসজি(টুইটার)