করোনা পরিস্থিতিতেও থেমে নেই উন্নয়ন

প্রকাশিত: ১১:১০ অপরাহ্ণ , আগস্ট ১০, ২০২০

করোনা পরিস্থিতিতেও থেমে নেই নরসিংদী পৌরসভার উন্নয়ন কাজ  । সমাজ সেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পৌর মেয়র কামরুজ্জামান কামরুল  ।

মহামারি করোনাভাইরাসেও থেমে নেই নরসিংদী পৌরসভার উন্নয়ন কাজ। অদৃশ্য ভাইরাস মোকাবেলা ও প্রতিরোধে নিরলসভাবে জনকল্যাণে খেটে খাওয়া কর্মহীন মানুষের দোড়গড়ায় কাঙ্কিত সেবা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি উন্নয়ন কাজের ধারা অব্যাহত রেখে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সকলের আস্তা অজন করেছেন নরসিংদী পৌর মেয়র কামরুজ্জামান কামরুল । সরকারের উন্নয়ন কাজের অংশ হিসেবে নরসিংদী পৌর শহরে চলমান সকল কাজ নিয়মিত পরিদর্শন করছেন মেয়র। সড়ক উন্নয়ন, ফুটপাত, ব্রিজ নির্মাণ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হলে ভোগান্তি থেকে মুক্তির পাশাপাশি বাড়বে নাগরিক সুবিধা। নাগরিক সুবিধা বাড়াতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে পৌর মেয়র কামরুজ্জামান কামরুল শুরু করেন উন্নয়ন কাজ। যার বেশিরভাগ উন্নয়ন কাজ বর্তমানে দৃশ্যমান। নরসিংদী শহরকে আধুনিক নান্দনিক মায়াময় শহর হিসেবে গড়ে তুলতে করোনার মাঝেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন মেয়র। নরসিংদীর লাখো জনতা এই উন্নয়নকে সমর্থন জানিয়ে পৌর মেয়র কামরুজ্জামান কামরুলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। নরসিংদী পৌর মেয়র কামরুজ্জামান কামরুল জানান, নরসিংদীবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, একটি যানজটমুক্ত শহর। নরসিংদীকে আধুনিক নান্দনিক মায়াময় শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চেষ্টা করেছি।জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত জনবন্ধু প্রয়াত মেয়র লোকমান হোসেন এর রেখে যাওয়া অসাপ্ত কাজের উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখতে দিন-রাত্র অকান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। পৌরবাসী এই উন্নয়নকে স্বাগত জানিয়েছে। উন্নয়নের কাজের বেশিরভাগই এখন দৃশ্যমান। আশা করছি বাকি প্রকল্পের কাজগুলো শেষ হলে নরসিংদী হয়ে উঠবে একটি আধুনিক নান্দনিক মায়াময় শহর। উল্লেখ্য, করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছেন মেয়র কামরুজ্জামান। অসহায় ৫০ হাজার পরিবারের মাঝে পৌছে দিয়েছেন খাদ্যসামগ্রী। ৫০ হাজার হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ড ওয়াশ বিতরণ করেছেন শহরের বিভিন্ন জায়গায়। করোনার মাঝে পবিত্র রমজান মাসব্যাপি প্রতিদিন ৫ হাজার মানুষকে ইফতার করিয়েছেন। পবিত্র ঈদ উল ফিতরের দিন অসহায় ২৫ হাজার মানুষের মাঝে বিতরণ করেছেন ফিরনি-ডিম-পোলাও-মোরগের রোস্ট-পানি। ঈদ উল আযহার দিন অসহায় মানুষকে নিজ বাড়িতে বাসিয়ে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করেছেন। যা সারাদেশ ব্যাপি প্রশংসিত হয়েছে।