দেশে কমেছে মৃত্যু, আক্রান্তের সঙ্গে বাড়ছে সুস্থতা

প্রকাশিত: ১২:৪৩ অপরাহ্ণ , জুলাই ২৯, ২০২০

বৈশ্বিক মহামারি করোনায় দেশে কমেছে প্রাণহানির ঘটনা। নমুনা পরীক্ষার হার কমলেও আক্রান্তের হার অনেকটা আগের মতোই রয়েছে। তবে, পূর্বের তুলনায় বেড়েছে সুস্থতার হার। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে করোনা রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ২৯ হাজার ১৮৫ জন। এর মধ্যে ৩ হাজার জনের মৃত্যু হলেও সুস্থতার লাভ করেছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৪১৪ জন ভুক্তভোগী। বর্তমানে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা প্রায় ৯৯ হাজার।

দেশে এখন পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১১ লাখ ৩৭ হাজার ১৩১টি। যেখানে আক্রান্তের হার ২০ দশমিক ১৫ শতাংশ। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজার ৭১৪টি নমুনা থেকে ২ হাজার ৯৬০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। যাতে আক্রান্তের হার ২৩ দশমিক ২৮ শতাংশ।

অপরদিকে, শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ। আর মৃত্যু হয়েছেন ১ দশমিক ৩১ শতাংশ রোগীর।

আক্রান্ত ও প্রাণহানিতে এখনও সবার ওপরে রাজধানী ঢাকা। এরপরই চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, বগুড়া, ফরিদপুর, কুমিল্লা, খুলনা, গাজীপুর, সিলেট, কক্সবাজার ও নোয়াখারীর মতো জেলাগুলো। যাদের প্রত্যেকটি তিন হাজারের বেশি করোনা রোগী রয়েছে।

এর মধ্যে শুধু ঢাকাতেই ৫২ হাজার ২০২ জন। এছাড়া, চট্টগ্রামে ১৩ হাজার ৫০৩, নারায়ণগঞ্জে ৫ হাজার ৮২৫, বগুড়ায় ৪ হাজার ৫৫৫, ফরিদপুরে ৪ হাজার ৫১২, কুমিল্লায় ৪ হাজার ১৬৭, খুলনায় ৪ হাজার ৬৩, গাজীপুরে ৪ হাজার ৩৯, সিলেটে ৩ হাজার ৭৮৭, কক্সবাজারে ৩ হাজার ১৫৮ ও নোয়াখালীতে ৩ হাজার ২৫ জন।

এদিকে, করোনাক্রান্ত মুমূর্ষ রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেডিকেটেড করোনা ইউনিটের আইসিইউতে যুক্ত হয়েছে ২টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা।

পাবনা ডায়াবেটিক সমিতির চিকিৎসক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাঝে পিপিইসহ করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেছেন দুদকের সাবেক কমিশনার ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।

দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। আর গত ১৮ মার্চ ভাইরাসটিতে প্রথম প্রাণহানি ঘটে। এরপর থেকে দিনে দিনে এর সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। শুরুতে বিদেশফেরতদের সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ালেও এখন তা প্রকট আকার ধারণ করেছে অবাধ চলাফেরা ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে।

আক্রান্তদের মধ্যে চিকিৎসক, আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য, স্বাস্থ্যকর্মীরাও রয়েছেন। এমন অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মানা ও অপ্রয়োজনে বাহিরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।