নিউজ রুম এডিটর, নিউজ৭১অনলাইন

ফের অশান্ত পাহাড়, পেছনে কারা!

মাহমুদুল হক আনসারী

পাহাড় আবার রক্তাক্ত, পাহাড় আমার জলভূমি পর্বত আমার। শষ্য শ্যমল সুন্দর ৬৮ হাজা বাংলার প্রতিটি ইঞ্চি মাটি আমার প্রিয় ভূমি। পাহাড় সমতল কেনো ভেদাভেদ নেই, বাঙ্গালি জাতি এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্থপতি বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে বাংলার মানচিত্র স্বাধিন করে ছিনিয়ে আনে। লাল রক্তে ভেজা বাংলার প্রতিটি ইঞ্চি মাটি ব্যবহার ও ভোগ করার সবগোত্র ও মানুষের ধর্মের সমান অধিকার আছে। এ অধিকার প্রতিষ্টার উদ্দেশ্যেই বঙ্গবন্ধুর সংগ্রাম ছিলো। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশে কোনো না কোনো অঞ্চেলে কখনো কখনো মানপচত্র বিরোধি তাজা লাল রক্ত ঝরতে দেখা যায়। কখনো পাহাড়ে কখনো সমতলে যুবক যুবতি রাজনীতির নামে অপরাজনীতির শিকার হয়ে টকটকে তদাজা রক্ত ঝরাচ্ছে। পেছনে কারা, কারা তাদের সাথে বেঈমানী করছে, কারা তাদেরকে আত্বঘাতী বানাচ্ছে সেটাই জাতির ভাবার বিষয়। মাত্র কিছুদিনের মাথায় একের পর এক পাহাড়ের পরিবেশকে ঘোলাটে করে তুলছে একটি কুচক্রি মহল। পাহাড়ে  স্বাধিন বাংলাদেশের পতাকাবাহী আইন শৃংখলা বাহিনীর এতো তৎপরতার মাঝেও কিভাবে বার বার সতির্থদের মাঝে রক্তের হলি খেলা চলছে সেটাই বোধগম্য নয়। বাংলার প্রতিটি ইঞ্চি পাহাড় পর্বত জল-সীমার নিরাপদ ও সুরক্ষা স্বাধিন জনগনের কাম্য। পাহাড় সমতল থেকে আলাদা কোনো অঞ্চল সেটা আমরা মানতে রাজি নই। সমতলের যে শাসন অধিকার, পাহাড়েও একই পদ্ধতিতে শাসন অধিকার প্রতিষ্টা থাকা চায়। সমতল আর পাহাড়ে দ্বি-শাসন শোষন চলতে দেয়া যায়না। কাদের সার্থে কারা পাহাড় এবং বডারকে বারবার অশান্ত করার ষড়যন্ত্র করছে তাদেরকেই চিহ্নিত করতে হবে। আনতে হবে আইন ও বিচারের আওতায়। সেখানে বসবাসরত সব গোত্র ও ধর্মের মানুষের ন্যয্য সুযোগ সুবিধা নাগরিক অধিকার সমান ভাবে প্রতিষ্টা করতে হবে। এখানে কেউ প্রথম কেউ দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরীক হিসেবে রাষ্ট্রের নিকেট স্বীকৃতি নেই। বাংলার রাজধানী থেকে গ্রাম শহর পাহাড় অঞ্চল সবখানেই একই নিয়মের শাষন প্রতিষ্টা করতে হবে। আন্ত কোন্দলে দলে দলে, ভাইয়ে ভাইয়ে, গোত্রে গোত্রে রক্তের এ হুলি খেলা রাষ্ট্রকেই বন্ধ করতে হবে। শরীরের একটি অঙ্গে যেরকম একটি আঘাত পেলে সারা শরীর বেদনার্থ হয়, একই ভাবে বাংলার মানচিত্রে কোথাও একটি ছিদ্র হলে আর মানচিত্র পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ থাকেনা। আমার মানচিত্র বাংরার জনপদকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর রাখতে হলে সমস্ত সন্ত্রাস রক্তের হুলি খেলা বন্ধ করতে হবে। এ পাহাড়ে কখনো অপহরণ কখনো হত্যা কখনো নারী নির‌্যাতন অহরহ চলছে। পাহাড়ি বঙ্গালী, কখনো ডিফেন্সের মধ্যে ত্রিপক্ষিয় ভুল বোঝাবুঝি একে অপরের বিরোদ্ধে অভিযোগ মামলা আর প্রতিবাদের শেষ নেই। স্বার্থের বিরোদ্ধে গেলেই শুরু হয় প্রতিবাদ মিছিল আর ধর্মঘটের। সতীর্থদের মাঝে সংঘাত আর সংঘর্ষের রেশ নিয়ে আনা হয় অন্যগোত্র ও দলের উপর। আবার কখনো কখনো প্রশাসনের আইন শৃংখলা বাহিনীর উপর এর রেশ টেনে আনা হয়। কেনো বারবার রক্তে লাল হচ্ছে পাহাড়, পেছনে কারা অবশ্যই তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষন করে রাষ্ট্রের আইন শৃংখলা বাহিনীকেই বের করে আনতে হবে। সমতলে যদি আইন শৃংখলা নিয়ম নীতি সন্ত্রাস নৈরাজ্য নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়, পাহাড়ে কেনো নয়? এ প্রশ্ন যুগ যুগ ধরে বাংলার সবগোত্র ও দলের মানুষের। শান্ত্রি প্রিয় ধর্ম পেশার মানুষ চায় পাহাড়ের শান্তি ও পরিবেশ প্রতিষ্টা করা হোক। সব ধরনের সন্ত্রাস সৃষ্টিকারি দল উপদল গোত্রকে আইনের কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। বাঙ্গালি অবাঙ্গালি, গোত্রে গোত্রে হানাহানী, রক্ত ঝরার এ প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে। বারবার পাহাড়কে অশান্ত করার যে রাজনীতির নামে অপরাজনীতি ও ষড়যন্ত্র চলছে সেটা আর জনগন চায় না। পাহাড়ে বসবাসরত সব মানুষকেই আসংকা মুক্ত নিরাপদ জীবনে রাখা রাষ্টের দায়িত্ব। তাদের জীবন জীবিকাকে কখনো সংকায় টেলে দেয়া যাবেনা। যারা চাচ্ছে পাহাড়কে মানব শূন্য করার, ডিফেন্স শূন্য রাখার, অতঃপর এ অঞ্চলকে যারা গ্রাস করতে চায় তাদের বিষদাত এখনি ভেঙ্গে চুরমার করে দিতে হবে। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে কোনো সন্ত্রাসীর আশ্রয় ও প্রজনন মেনে নেয়া যায় না। বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর সমস্ত ভাষণে সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ ও নৈরাজ্যের বিরোদ্ধে সোচ্চার, তাঁর সাথে দেশের সর্বস্তরের শান্তি প্রিয় মানুষের একাত্বতা রয়েছে। তাই সন্ত্রাস নৈরাজ্য যেখানেই হোক সেখানেই থামিয়ে দিতে হবে। বাংলাদেশের আইনশৃংখলা বাহিনীর সে সৎ সাহস ও দক্ষতা রয়েছে। বাংলার মানচিত্রকে সন্ত্রাস মুক্ত রাখতে সবধরনের সন্ত্রাসের বিরোদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ জনগনের প্রত্যাশা।

লেখক:

মাহমুদুল হক আনসারী

প্রাবন্ধিক ও গবেষক

20.08.2018 | 10:56 PM | সর্বমোট ১০২ বার পঠিত

ফের অশান্ত পাহাড়, পেছনে কারা!" data-width="100%" data-numposts="5" data-colorscheme="light">

জাতীয়

দু’দেশের সম্পর্ক এখন উচ্চতর পর্যায়ে

'স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দু'দেশের সম্পর্ক একটি শক্ত ভিতের ওপর স্থান করেছিলেন। আর...... বিস্তারিত

21.09.2018 | 09:51 PM


রাজধানী

চট্টগ্রাম

ফেইসবুকে নিউজ ৭১ অনলাইন

ধর্ম

শরীর রক্তাক্ত করে শোক পালন হারাম

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হযরত আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর ফতোয়া অনুযায়ী মহররম ও আশুরার শোক পালনের ক্ষেত্রে শরীর রক্তাক্ত করা হারাম। এমনকি...... বিস্তারিত

18.09.2018 | 01:47 PM

বিনোদন

ওবায়দুল কাদেরের গল্পের নায়িকা কে?

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের লেখা উপন্যাস নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হচ্ছে। উপন্যাসটির নাম ‘গাঙচিল’।উপন্যাসের...... বিস্তারিত

19.09.2018 | 04:36 PM

সর্বশেষ সংবাদ

সব পোস্ট

English News

সম্পাদকীয়

বিশেষ প্রতিবেদন

মানুষ মানুষের জন্য

আমরা শোকাহত

অতিথি কলাম

সাক্ষাৎকার

অন্যরকম

ভিডিওতে ৭১এর মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস

ভিডিও সংবাদ