মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

ঢাকা মহানগর-উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্বে আসার সম্ভাবনা যাদের

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সম্মেলন ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে তৈরী হয়েছে কর্মচাঞ্চল্য ও উদ্দীপনা। ছাত্রলীগ থেকে যুবলীগ এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রবেশের স্বীকৃত প্লাটফর্ম স্বেচ্ছাসেবক লীগ। আসছে ১২ নভেম্বর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। 

এই সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য প্রার্থী থাকবেন সাবেক সব ছাত্রনেতারা। অন্যান্য সহযোগী সংগঠনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে কাদা ছোঁড়াছুড়ি থাকলেও, স্বেচ্ছাসেবক লীগ মহানগর-উত্তর কিছুটা ভিন্ন। কাঙ্খিত পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও সকলের মধ্যে এক ধরণের শ্রদ্ধারপূর্ণ আচরণ লক্ষ্য করা গেছে।

পদ প্রত্যাশী সকলেই আস্থা রাখছেন দলীয় অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিমের সিদ্ধান্তের ওপর। নেতৃত্বে যেই আসুক না কেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার হাতকে ঐক্যবদ্ধভাবে শক্তিশালী করার জন্য সামনের দিনগুলোতে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছেন সকলেই।

এবারের সম্মেলনে সভাপতি পদের আলোচনায় রয়েছেন সংগঠনটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ফরিদুর রহমান খান ইরান এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইসহাক মিয়া।

সম্মেলন প্রসঙ্গে ফরিদুর রহমান খান ইরান বলেন, আমরা চাই আমাদের কমিটিতে আরও নতুন নতুন ছাত্রনেতারা আসুক, নতুন নেতৃত্ব আসুক। যে যেখানে আছে তার দলীয় অবস্থান সামনে আরও ভালো হবে। আমরা আশাকরি নতুন পুরাতন সমন্বয়ে আমাদের কমিটি গুলো হবে। দীর্ঘদিন পর আমাদের এ সম্মেলন হবে, এ সম্মেলন ঘিরে ওয়ার্ড পর্যায় থেকে শুরু করে থানাসহ সকল স্তরে আনন্দের আবহ বয়ে যাচ্ছে। আমি আশাকরি আমাদের সম্মেলন সার্থক ও সুন্দর হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রথম কমিটি। এমন একটা সময় আমাদের পার করতে হয়েছে যখন কেউ স্বেচ্ছাসেবক লীগ করতে চাইতো না। আমরা সে অবস্থা পার করে এসেছি। এখন আমাদের সাংগঠনিক অবস্থান অত্যন্ত সুসংহত। যেকোন পরিস্থিতিতে আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে সুসংহত ও শক্তিশালী করতে প্রস্তুত রয়েছি।

ফরিদুর রহমান খান ইরান তার রাজনৈতিক বিবরণ তুলে ধরে বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে স্কুলে থাকতেই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯৮৩-১৯৮৪ রাজধানী উচ্চবিদ্যালয় ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে স্কুল ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক, ১৯৮৭-১৯৮৮ নবম শ্রেনীতে সভাপতি নির্বাচিত হন। রাজনীতির ওই বন্ধুর সময়ে নির্যাতন শত নির্যাতন সহ্য করেও পিছুপা হননি। এরপর ১৯৯৩ সালে তেজগাঁও কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভিপি পদে নির্বাচন করেন ইরান। কিন্তু চক্রান্ত কারণে সে নির্বাচনের ফল স্থাগিত হয়ে যায়। এরপর, ১৯৯৩ সাল থেকে ২০০৬ পর্যন্ত পরপর তিনবার তেজগাঁও কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। এছাড়া, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দুই বার দায়িত্বে ছিলেন ইরান। ২০০৬ সালের ৩১জুলাই সম্মেলনের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি।

এছাড়া, সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য আলোচনায় রয়েছেন মোহম্মদপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোঃ আব্দুল লতিফ এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ দুলাল হোসেন।

মোহম্মদপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সফল সভাপতি মোঃ আব্দুল লতিফ বলেন, ২০০৪ সালে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিম এর মৌখিক আদেশে বৃহত্তর মোহাম্মদপুরের নেতাকর্মীদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ সংগঠনটি সুশৃঙ্খলভাবে সাজানোর দায়িত্ব প্রদান করেন এবং আমি ২০০৮ইং সাল পর্যন্ত সর্বোচ্চ শ্রমদিয়ে সংগঠনকে বেগবান করতে সক্ষম হই। পরবর্তীতে গত ২৫ নভেম্বর ২০০৮ হইতে ৭ মার্চ ২০১৫ তারিখ পর্যন্ত আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর “প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক” হিসেবে সফলতার সহিত মোহাম্মদপুর, আদাবর, শেরে বাংলা নগর ৩ থানার দায়িত্ব পালন করি। ৮ মার্চ ২০১৫ তারিখ হইতে ১৭ জুন ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত মোহাম্মদপুর, আদাবর ২ থানার আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। বর্তমানে মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের “সভাপতি” হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।

তিনি আরো বলেন, ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশে জরুরি অবস্থা চলাকালে ধানমণ্ডির বাসভবন সুধাসদন থেকে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে।আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা কারাবন্দি হলে তার মুক্তির দাবিতে মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সাথে চার লাখ পঞ্চাশ হাজার গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করি।

মোঃ আব্দুল লতিফ বলেন, আমি যদি আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হতে পারি তাহলে নিষ্টার সাথে দায়িত্ব পালন করে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়ন করে মাদক, সন্ত্রাস, দূর্নীতি বন্ধ করে সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফুটাব এবং সাধারণ মানুষের পাশে থেকে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বীশেষে সকল মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করবো। 

মোঃ আব্দুল লতিফ তার রাজনৈতিক বিবরণ তুলে ধরে বলেন, স্কুল জীবনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হই এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন কর্মী হিসেবে কাজ শুরু করি।

১৯৯০ সালের গণ আন্দোলন সক্রিয়ভাবে রাজপথে ছিলাম এবং বিএনপি-জামাত জোট সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই। ফলে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের রোষানলে পড়ে যায়। শুরু হয় আমার ওপর অমানবিক অত্যাচার, চেষ্টা করা হয় হত্যার। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে বেঁচে থাকার জন্য দেশ ছাড়তে বাধ্য হই।

দল ও দেশের টানে ১৯৯৫ সালে দেশে ফিরে আসি এবং সাবেক ৪২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ৩ নং ইউনিটের সদস্য হয়ে রাজনৈতিক পদচারণা শুরু করি। এ সময় বিএনপি পতনের বিরুদ্ধে রাজপথে আবারো সোচ্চার হই এবং সামনে থেকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করি।

১৯৯৬ সালে ১২ই এপ্রিল যুব দলের ক্যাডার বাহিনী হত্যার উদ্দেশ্যে আমার উপর গুলিবর্ষণ করে। গুলিবিদ্ধ হলেও প্রাণে বেঁচে যাই, ক্ষতিগ্রস্থ হয় আমার বাম হাত। এই অবস্থায়ও আমি দমে যাইনি। জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে আন্দোলনে সম্পৃক্ত রেখে নৌকার জয়লাভে অগ্রণী ভূমিকা পালন করি।

২০০১ সালে বিএনপি-জামাত জোট সরকার ক্ষমতায় এলে আমার উপর শুরু হর্য় পুনরা অমানবিক অত্যাচার। ক্ষতি করা হয় আর্থিক ও মানসিকভাবে, অপারেশন ক্লিনহার্টের নামে দেয়া মিথ্যা বানোয়াট মামলায় আমাকে বাধ্য করে আত্বগোপনে যেতে।

২০০২ সালে জোট সরকারের বিরুদ্ধে আবারো সক্রিয় হলে, জোট সরকারের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী আমাকে মোহাম্মদপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে পিটিয়ে আহত করে। পরবর্তীতে তারা কিডন্যাপ করার চেষ্টা করলে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের পথরোধ করে ও পরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সাধারণ মানুষদের সহায়তায় আবারো প্রাণে বেঁচে যাই।

২০০৪ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে কোন পদ না দেয়া হলেও আমি রাজনীতি থেকে সরে যাইনি। কিন্তু আমি অবিচল থাকি দলের প্রতি, প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই পদ নয় বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে নিয়ে সারা জীবন কাজ করে যাবো একজন সৎ রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে।

আমার এই সততা, ও দলের প্রতি অনুরাগ দেখে সে সময় স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিম মৌখিক ভাবে আমাকে মোহাম্মদপুর-আদাবর-শেরে বাংলা নগর থানা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সংগঠন গুছানোর দায়িত্বভার তুলে দেন। সকল ভয়কে উপেক্ষা করে দায়িত্বভার গ্রহণ করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে স্বচ্ছ রাজনীতির মধ্য দিয়ে অদ্যবধি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে আসছি।

দলে যখনই ক্রান্তিলগ্ন এসেছে ততবারই রাজপথে ঝাপিয়ে পড়েছি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে নিয়ে। ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সময় সভাস্থলে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যাই।

লগি-বৈঠা আন্দোলনের প্রস্তুতি চলাকালীন শ্যামলীতে সেনাবাহিনীর সাথে তুমুল সংঘর্ষ হয়, আহত হই আমি ও আমার নেতা–কর্মী বৃন্দ।

তত্বাবধায়ক সরকার পতনে ডাক দিলে ১/১১ আন্দোলনে মিথ্যা মামলা দিয়ে আটক করে অমানসিক নির্যাতন চালানো হয় আমার উপর। পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পেলে আমাকে বৃহত্তর মোহাম্মদপুর-আদাবর-শেরে বাংলা নগর থানার আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক এর দায়িত্ব দেয়া হয়। সে সময় জাতীয় নির্বাচনে আমি ও আমার কর্মীবৃন্দদের নিয়ে দলকে জয়ী কিরতে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করি। আওয়ামী লীগ বিপুল পরিমাণ ভোটে জয়লাভ করে ক্ষমতায় আসেন।

৫ই জানুযারি নির্বাচনের পর জামাত-বিএনপি অতর্কিথ পেট্রোল বোমা হামলা শুরু করলে প্রতিরোধ গড়ে তুলি। দেশবাসীকে বাঁচাতে দিনের পর দিন নেতা-কর্মীদের নিয়ে রাজপথে অবস্থান করি নির্ধারিত স্থান মোহাম্মদপুর অনুরাগ রেস্তোঁরার সামনে।

২০১৩ ও পরবর্তী ২০১৮ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে দলের জয়লাভে অগ্রণী ভূমিকা পালন করি।

আমি চার দশকের কাছাকাছি ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি।

মমতাময়ী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা দুর্নীতি-অন্যায়ের বিরুদ্ধে যে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন তাকে সাধুবাদ জানিয়ে আমৃত্যু পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শে রাজপথে কাজ করে যেতে চাই।

আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পদের দৌড়ে এগিয়ে আছেন যারা তাদের মধ্যে মোহম্মদপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোঃ আব্দুল লতিফের নাম অনেকটাই এগিয়ে এমনটাই জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী একটি সুত্র।

এর আগে, ১৩ বছর পর হতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির সম্মেলন। ১১ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও ১২ নভেম্বর উত্তরের সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত করেছে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ।

08.11.2019 | 09:51 AM | সর্বমোট ২৪৬ বার পঠিত

ঢাকা মহানগর-উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্বে আসার সম্ভাবনা যাদের" data-width="100%" data-numposts="5" data-colorscheme="light">

জাতীয়

রাজধানী

চট্টগ্রাম

মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে যুবলীগের প্রতিটি কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে

১২নং সরাইপাড়া ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলহাজ্ব ছাবের আহমেদ সওদাগর বলেন, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শে কোন বিভেদ নেই। আগামীর ভিশন-২১ বাস্তবায়নে যুবলীগের প্রতিটি...... বিস্তারিত

06.10.2019 | 09:15 PM

ফেইসবুকে নিউজ ৭১ অনলাইন

ধর্ম

গবেষণা ও চিন্তাচর্চায় আল কোরআনের অনুপ্রেরণা

তারা কি ভূপৃষ্ঠে ভ্রমণ করে না, যাতে তারা জ্ঞান-বুদ্ধিসম্পন্ন হৃদয় ও শ্রুতিসম্পন্ন শ্রবণের অধিকারী হতে পারে! বস্তুত চক্ষু তো অন্ধ...... বিস্তারিত

03.09.2019 | 12:10 PM

বিনোদন

শুভজনের ৭ম বর্ষপূর্তিতে শিল্পকলায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

মানবিক মানুষ চাই এই শুভ প্রত্যয়ে দীপ্ত শুদ্ধধারার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের সংগঠণ শুভজনের ৭ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে “সুস্থ সমাজ বিনির্মাণে,...... বিস্তারিত

08.10.2019 | 01:17 PM


সর্বশেষ সংবাদ

সব পোস্ট

English News

সম্পাদকীয়

বিশেষ প্রতিবেদন

মানুষ মানুষের জন্য

আমরা শোকাহত

অতিথি কলাম

সাক্ষাৎকার

অন্যরকম

ভিডিওতে ৭১এর মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস

ভিডিও সংবাদ