গোপালগঞ্জে ঘরমুখো মানুষের ঢল : লক্ষ্য স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি

এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে কাঁধে ব্যাগ, কোলে শিশু নিয়ে গোপালগঞ্জ ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। আগাম ছুটি নিয়ে কর্মজীবী মানুষ ফিরছে পরিবার-পরিজন নিয়ে। এ দলে রয়েছে শিক্ষার্থীরাও। সবারই গন্তব্য জন্মভিটা। এবার পবিত্র ঈদ-উল ফিতর সাপ্তাহিক ছুটির দিনে হওয়ায় এ উপলক্ষে সরকারি ছুটি খুবই কম। তাই চাকরিজীবীদের অনেকেই শবে কদর ও ঈদের ছুটির মধ্যবর্তী বৃহস্পতিবার কর্ম দিবসের ছুটি নিয়ে অনেকেই গ্রামের পথে পা বাড়িয়েছেন। এ দিনের ছুটি না পেয়ে কর্মজীবী অনেকে  গোপালগঞ্জে থেকে গেলেও শেষ সময়ে যাত্রা পথের ভোগান্তি এড়াতে কেউ কেউ পরিবার-পরিজনকে বাস তুলে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে প্রতিদিনই বাস টার্মিনালে রয়েছে ঘরমুখো মানুষের ঢল।
গোপালগঞ্জের পরিবহন সংশ্লিটরা জানায়, আগাম টিকিটে ঈদযাত্রা আরো কয়েক দিন আগে শুরু হলেও ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে মূলত মঙ্গলবার সকাল থেকেই। যা টানা ঈদের আগের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত থাকবে। তবে ক'দিন আগে পাটুরিয়া ঘাটে তীব্র যানজট দেখা দেয়ায় তাদের মাঝে নতুন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থা চলমান থাকলে ঈদের আগে দূরপাল্লার অনেক বাসের একাধিক যাত্রা শিডিউল মিস হবে, যা ঘরমুখো মানুষকে চরম বিপাকে ফেলবে। পাশাপাশি পরিবহন ব্যবসায়ীরা মারাত্বক লোকসানের মুখে পড়বে বলে মনে করেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা।
গত কয়েক দিন গোপালগঞ্জের কুয়াডাঙ্গা, পুলিশ লাইন, বেতগ্রাম, ঘোনাপাড়া, কলেজ মোড় ঘুরে দেখা গেছে, সব জায়গাতেই ঘর মুখো মানুষের ঢল। তীব্র জনস্্েরাতে কোথাও এক মুহূর্ত থেমে থাকার উপায় নেই। ছোট-বড় বাক্স-পেটরা-লাগেজ নিয়ে সবাই ছুটছে কে কার আগে বাসে নির্ধারিত আসনে বসতে পারে। ঢাকা-খুলনা-গোপালগঞ্জ রুটের বিভিন্ন স্থানে কিছুটা যানজটের খবর পাওয়া গেছে। ভাঙাচোরা সড়কের কারণেই অধিকাংশ স্থানে যানজট তৈরি হয়েছে। যা ভারি বৃষ্টিপাত হলে আরো বাড়বে বলে মনে করেন পরিবহন শ্রমিকরা।
অপর দিকে ফেরিঘাটে যানজটের কারণে যথাসময়ে গাড়ি না ফেরার কারণে ছাড়তেও বিলম্ব হচ্ছে। তবে বাস সার্ভিসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে এমন অভিযোগ করেছে যাত্রীরা। বিভিন্ন কারণে শেষ মুহূর্তে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ-দুর্দশা মাথায় নিয়েই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি যেন রাস্তায় না চলতে পারে, সে জন্য পুলিশ কে সতর্ক রাখা হয়েছে। ঈদে ঘর মুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছেন কর্তব্যরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ঢাকা-খুলনা-গোপালগঞ্জ  মহাসড়কে বড় ধরনের যানজট না থাকায় গাড়িগুলোও ছেড়ে যাচ্ছে নির্ধারিত সময়ে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সিডিউলে প্রভাব পড়ে। দেরিতে পৌঁছার কারণে ছাড়তেও বিলম্ব হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখনো সহনীয়।
পুলিশ লাইন মোড়ে আনিস নামের এক কাউন্টার ম্যানেজার বলেন, গতবারের চেয়ে এবারে যাত্রীদের চাপ কম। অনেকে আগে পরিবার পাঠিয়ে দিয়েছে। আবার ছুটি কম হওয়ায় অনেকে বাড়ি যাচ্ছেন না। আবার অনেকে বলছেন ভিড় বাড়বে। যদিও লোকজন আগের চেয়ে সচেতন হয়ে পরিকল্পিত ভাবে ঈদে বাড়ি ফেরায় ঝামেলা কমেছে বলে মনে করছেন।
এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে কাঁধে ব্যাগ, কোলে শিশু নিয়ে গোপালগঞ্জ ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। আগাম ছুটি নিয়ে কর্মজীবী মানুষ ফিরছে পরিবার-পরিজন নিয়ে। এ দলে রয়েছে শিক্ষার্থীরাও। সবারই গন্তব্য জন্মভিটা। এবার পবিত্র ঈদ-উল ফিতর সাপ্তাহিক ছুটির দিনে হওয়ায় এ উপলক্ষে সরকারি ছুটি খুবই কম। তাই চাকরিজীবীদের অনেকেই শবে কদর ও ঈদের ছুটির মধ্যবর্তী বৃহস্পতিবার কর্ম দিবসের ছুটি নিয়ে অনেকেই গ্রামের পথে পা বাড়িয়েছেন। এ দিনের ছুটি না পেয়ে কর্মজীবী অনেকে  গোপালগঞ্জে থেকে গেলেও শেষ সময়ে যাত্রা পথের ভোগান্তি এড়াতে কেউ কেউ পরিবার-পরিজনকে বাস তুলে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে প্রতিদিনই বাস টার্মিনালে রয়েছে ঘরমুখো মানুষের ঢল।
গোপালগঞ্জের পরিবহন সংশ্লিটরা জানায়, আগাম টিকিটে ঈদযাত্রা আরো কয়েক দিন আগে শুরু হলেও ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে মূলত মঙ্গলবার সকাল থেকেই। যা টানা ঈদের আগের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত থাকবে। তবে ক'দিন আগে পাটুরিয়া ঘাটে তীব্র যানজট দেখা দেয়ায় তাদের মাঝে নতুন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থা চলমান থাকলে ঈদের আগে দূরপাল্লার অনেক বাসের একাধিক যাত্রা শিডিউল মিস হবে, যা ঘরমুখো মানুষকে চরম বিপাকে ফেলবে। পাশাপাশি পরিবহন ব্যবসায়ীরা মারাত্বক লোকসানের মুখে পড়বে বলে মনে করেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা।
গত কয়েক দিন গোপালগঞ্জের কুয়াডাঙ্গা, পুলিশ লাইন, বেতগ্রাম, ঘোনাপাড়া, কলেজ মোড় ঘুরে দেখা গেছে, সব জায়গাতেই ঘর মুখো মানুষের ঢল। তীব্র জনস্্েরাতে কোথাও এক মুহূর্ত থেমে থাকার উপায় নেই। ছোট-বড় বাক্স-পেটরা-লাগেজ নিয়ে সবাই ছুটছে কে কার আগে বাসে নির্ধারিত আসনে বসতে পারে। ঢাকা-খুলনা-গোপালগঞ্জ রুটের বিভিন্ন স্থানে কিছুটা যানজটের খবর পাওয়া গেছে। ভাঙাচোরা সড়কের কারণেই অধিকাংশ স্থানে যানজট তৈরি হয়েছে। যা ভারি বৃষ্টিপাত হলে আরো বাড়বে বলে মনে করেন পরিবহন শ্রমিকরা।
অপর দিকে ফেরিঘাটে যানজটের কারণে যথাসময়ে গাড়ি না ফেরার কারণে ছাড়তেও বিলম্ব হচ্ছে। তবে বাস সার্ভিসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে এমন অভিযোগ করেছে যাত্রীরা। বিভিন্ন কারণে শেষ মুহূর্তে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ-দুর্দশা মাথায় নিয়েই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি যেন রাস্তায় না চলতে পারে, সে জন্য পুলিশ কে সতর্ক রাখা হয়েছে। ঈদে ঘর মুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছেন কর্তব্যরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ঢাকা-খুলনা-গোপালগঞ্জ  মহাসড়কে বড় ধরনের যানজট না থাকায় গাড়িগুলোও ছেড়ে যাচ্ছে নির্ধারিত সময়ে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সিডিউলে প্রভাব পড়ে। দেরিতে পৌঁছার কারণে ছাড়তেও বিলম্ব হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখনো সহনীয়।
পুলিশ লাইন মোড়ে আনিস নামের এক কাউন্টার ম্যানেজার বলেন, গতবারের চেয়ে এবারে যাত্রীদের চাপ কম। অনেকে আগে পরিবার পাঠিয়ে দিয়েছে। আবার ছুটি কম হওয়ায় অনেকে বাড়ি যাচ্ছেন না। আবার অনেকে বলছেন ভিড় বাড়বে। যদিও লোকজন আগের চেয়ে সচেতন হয়ে পরিকল্পিত ভাবে ঈদে বাড়ি ফেরায় ঝামেলা কমেছে বলে মনে করছেন।
এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে কাঁধে ব্যাগ, কোলে শিশু নিয়ে গোপালগঞ্জ ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। আগাম ছুটি নিয়ে কর্মজীবী মানুষ ফিরছে পরিবার-পরিজন নিয়ে। এ দলে রয়েছে শিক্ষার্থীরাও। সবারই গন্তব্য জন্মভিটা। এবার পবিত্র ঈদ-উল ফিতর সাপ্তাহিক ছুটির দিনে হওয়ায় এ উপলক্ষে সরকারি ছুটি খুবই কম। তাই চাকরিজীবীদের অনেকেই শবে কদর ও ঈদের ছুটির মধ্যবর্তী বৃহস্পতিবার কর্ম দিবসের ছুটি নিয়ে অনেকেই গ্রামের পথে পা বাড়িয়েছেন। এ দিনের ছুটি না পেয়ে কর্মজীবী অনেকে  গোপালগঞ্জে থেকে গেলেও শেষ সময়ে যাত্রা পথের ভোগান্তি এড়াতে কেউ কেউ পরিবার-পরিজনকে বাস তুলে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে প্রতিদিনই বাস টার্মিনালে রয়েছে ঘরমুখো মানুষের ঢল।
গোপালগঞ্জের পরিবহন সংশ্লিটরা জানায়, আগাম টিকিটে ঈদযাত্রা আরো কয়েক দিন আগে শুরু হলেও ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে মূলত মঙ্গলবার সকাল থেকেই। যা টানা ঈদের আগের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত থাকবে। তবে ক'দিন আগে পাটুরিয়া ঘাটে তীব্র যানজট দেখা দেয়ায় তাদের মাঝে নতুন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থা চলমান থাকলে ঈদের আগে দূরপাল্লার অনেক বাসের একাধিক যাত্রা শিডিউল মিস হবে, যা ঘরমুখো মানুষকে চরম বিপাকে ফেলবে। পাশাপাশি পরিবহন ব্যবসায়ীরা মারাত্বক লোকসানের মুখে পড়বে বলে মনে করেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা।
গত কয়েক দিন গোপালগঞ্জের কুয়াডাঙ্গা, পুলিশ লাইন, বেতগ্রাম, ঘোনাপাড়া, কলেজ মোড় ঘুরে দেখা গেছে, সব জায়গাতেই ঘর মুখো মানুষের ঢল। তীব্র জনস্্েরাতে কোথাও এক মুহূর্ত থেমে থাকার উপায় নেই। ছোট-বড় বাক্স-পেটরা-লাগেজ নিয়ে সবাই ছুটছে কে কার আগে বাসে নির্ধারিত আসনে বসতে পারে। ঢাকা-খুলনা-গোপালগঞ্জ রুটের বিভিন্ন স্থানে কিছুটা যানজটের খবর পাওয়া গেছে। ভাঙাচোরা সড়কের কারণেই অধিকাংশ স্থানে যানজট তৈরি হয়েছে। যা ভারি বৃষ্টিপাত হলে আরো বাড়বে বলে মনে করেন পরিবহন শ্রমিকরা।
অপর দিকে ফেরিঘাটে যানজটের কারণে যথাসময়ে গাড়ি না ফেরার কারণে ছাড়তেও বিলম্ব হচ্ছে। তবে বাস সার্ভিসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে এমন অভিযোগ করেছে যাত্রীরা। বিভিন্ন কারণে শেষ মুহূর্তে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ-দুর্দশা মাথায় নিয়েই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি যেন রাস্তায় না চলতে পারে, সে জন্য পুলিশ কে সতর্ক রাখা হয়েছে। ঈদে ঘর মুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছেন কর্তব্যরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ঢাকা-খুলনা-গোপালগঞ্জ  মহাসড়কে বড় ধরনের যানজট না থাকায় গাড়িগুলোও ছেড়ে যাচ্ছে নির্ধারিত সময়ে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সিডিউলে প্রভাব পড়ে। দেরিতে পৌঁছার কারণে ছাড়তেও বিলম্ব হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখনো সহনীয়।
পুলিশ লাইন মোড়ে আনিস নামের এক কাউন্টার ম্যানেজার বলেন, গতবারের চেয়ে এবারে যাত্রীদের চাপ কম। অনেকে আগে পরিবার পাঠিয়ে দিয়েছে। আবার ছুটি কম হওয়ায় অনেকে বাড়ি যাচ্ছেন না। আবার অনেকে বলছেন ভিড় বাড়বে। যদিও লোকজন আগের চেয়ে সচেতন হয়ে পরিকল্পিত ভাবে ঈদে বাড়ি ফেরায় ঝামেলা কমেছে বলে মনে করছেন।
এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে কাঁধে ব্যাগ, কোলে শিশু নিয়ে গোপালগঞ্জ ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। আগাম ছুটি নিয়ে কর্মজীবী মানুষ ফিরছে পরিবার-পরিজন নিয়ে। এ দলে রয়েছে শিক্ষার্থীরাও। সবারই গন্তব্য জন্মভিটা। এবার পবিত্র ঈদ-উল ফিতর সাপ্তাহিক ছুটির দিনে হওয়ায় এ উপলক্ষে সরকারি ছুটি খুবই কম। তাই চাকরিজীবীদের অনেকেই শবে কদর ও ঈদের ছুটির মধ্যবর্তী বৃহস্পতিবার কর্ম দিবসের ছুটি নিয়ে অনেকেই গ্রামের পথে পা বাড়িয়েছেন। এ দিনের ছুটি না পেয়ে কর্মজীবী অনেকে  গোপালগঞ্জে থেকে গেলেও শেষ সময়ে যাত্রা পথের ভোগান্তি এড়াতে কেউ কেউ পরিবার-পরিজনকে বাস তুলে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে প্রতিদিনই বাস টার্মিনালে রয়েছে ঘরমুখো মানুষের ঢল।
গোপালগঞ্জের পরিবহন সংশ্লিটরা জানায়, আগাম টিকিটে ঈদযাত্রা আরো কয়েক দিন আগে শুরু হলেও ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে মূলত মঙ্গলবার সকাল থেকেই। যা টানা ঈদের আগের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত থাকবে। তবে ক'দিন আগে পাটুরিয়া ঘাটে তীব্র যানজট দেখা দেয়ায় তাদের মাঝে নতুন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থা চলমান থাকলে ঈদের আগে দূরপাল্লার অনেক বাসের একাধিক যাত্রা শিডিউল মিস হবে, যা ঘরমুখো মানুষকে চরম বিপাকে ফেলবে। পাশাপাশি পরিবহন ব্যবসায়ীরা মারাত্বক লোকসানের মুখে পড়বে বলে মনে করেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা।
গত কয়েক দিন গোপালগঞ্জের কুয়াডাঙ্গা, পুলিশ লাইন, বেতগ্রাম, ঘোনাপাড়া, কলেজ মোড় ঘুরে দেখা গেছে, সব জায়গাতেই ঘর মুখো মানুষের ঢল। তীব্র জনস্্েরাতে কোথাও এক মুহূর্ত থেমে থাকার উপায় নেই। ছোট-বড় বাক্স-পেটরা-লাগেজ নিয়ে সবাই ছুটছে কে কার আগে বাসে নির্ধারিত আসনে বসতে পারে। ঢাকা-খুলনা-গোপালগঞ্জ রুটের বিভিন্ন স্থানে কিছুটা যানজটের খবর পাওয়া গেছে। ভাঙাচোরা সড়কের কারণেই অধিকাংশ স্থানে যানজট তৈরি হয়েছে। যা ভারি বৃষ্টিপাত হলে আরো বাড়বে বলে মনে করেন পরিবহন শ্রমিকরা।
অপর দিকে ফেরিঘাটে যানজটের কারণে যথাসময়ে গাড়ি না ফেরার কারণে ছাড়তেও বিলম্ব হচ্ছে। তবে বাস সার্ভিসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে এমন অভিযোগ করেছে যাত্রীরা। বিভিন্ন কারণে শেষ মুহূর্তে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ-দুর্দশা মাথায় নিয়েই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি যেন রাস্তায় না চলতে পারে, সে জন্য পুলিশ কে সতর্ক রাখা হয়েছে। ঈদে ঘর মুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছেন কর্তব্যরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ঢাকা-খুলনা-গোপালগঞ্জ  মহাসড়কে বড় ধরনের যানজট না থাকায় গাড়িগুলোও ছেড়ে যাচ্ছে নির্ধারিত সময়ে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সিডিউলে প্রভাব পড়ে। দেরিতে পৌঁছার কারণে ছাড়তেও বিলম্ব হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখনো সহনীয়।
পুলিশ লাইন মোড়ে আনিস নামের এক কাউন্টার ম্যানেজার বলেন, গতবারের চেয়ে এবারে যাত্রীদের চাপ কম। অনেকে আগে পরিবার পাঠিয়ে দিয়েছে। আবার ছুটি কম হওয়ায় অনেকে বাড়ি যাচ্ছেন না। আবার অনেকে বলছেন ভিড় বাড়বে। যদিও লোকজন আগের চেয়ে সচেতন হয়ে পরিকল্পিত ভাবে ঈদে বাড়ি ফেরায় ঝামেলা কমেছে বলে মনে করছেন।
এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে কাঁধে ব্যাগ, কোলে শিশু নিয়ে গোপালগঞ্জ ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। আগাম ছুটি নিয়ে কর্মজীবী মানুষ ফিরছে পরিবার-পরিজন নিয়ে। এ দলে রয়েছে শিক্ষার্থীরাও। সবারই গন্তব্য জন্মভিটা। এবার পবিত্র ঈদ-উল ফিতর সাপ্তাহিক ছুটির দিনে হওয়ায় এ উপলক্ষে সরকারি ছুটি খুবই কম। তাই চাকরিজীবীদের অনেকেই শবে কদর ও ঈদের ছুটির মধ্যবর্তী বৃহস্পতিবার কর্ম দিবসের ছুটি নিয়ে অনেকেই গ্রামের পথে পা বাড়িয়েছেন। এ দিনের ছুটি না পেয়ে কর্মজীবী অনেকে  গোপালগঞ্জে থেকে গেলেও শেষ সময়ে যাত্রা পথের ভোগান্তি এড়াতে কেউ কেউ পরিবার-পরিজনকে বাস তুলে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে প্রতিদিনই বাস টার্মিনালে রয়েছে ঘরমুখো মানুষের ঢল।
গোপালগঞ্জের পরিবহন সংশ্লিটরা জানায়, আগাম টিকিটে ঈদযাত্রা আরো কয়েক দিন আগে শুরু হলেও ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে মূলত মঙ্গলবার সকাল থেকেই। যা টানা ঈদের আগের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত থাকবে। তবে ক'দিন আগে পাটুরিয়া ঘাটে তীব্র যানজট দেখা দেয়ায় তাদের মাঝে নতুন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থা চলমান থাকলে ঈদের আগে দূরপাল্লার অনেক বাসের একাধিক যাত্রা শিডিউল মিস হবে, যা ঘরমুখো মানুষকে চরম বিপাকে ফেলবে। পাশাপাশি পরিবহন ব্যবসায়ীরা মারাত্বক লোকসানের মুখে পড়বে বলে মনে করেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা।
গত কয়েক দিন গোপালগঞ্জের কুয়াডাঙ্গা, পুলিশ লাইন, বেতগ্রাম, ঘোনাপাড়া, কলেজ মোড় ঘুরে দেখা গেছে, সব জায়গাতেই ঘর মুখো মানুষের ঢল। তীব্র জনস্্েরাতে কোথাও এক মুহূর্ত থেমে থাকার উপায় নেই। ছোট-বড় বাক্স-পেটরা-লাগেজ নিয়ে সবাই ছুটছে কে কার আগে বাসে নির্ধারিত আসনে বসতে পারে। ঢাকা-খুলনা-গোপালগঞ্জ রুটের বিভিন্ন স্থানে কিছুটা যানজটের খবর পাওয়া গেছে। ভাঙাচোরা সড়কের কারণেই অধিকাংশ স্থানে যানজট তৈরি হয়েছে। যা ভারি বৃষ্টিপাত হলে আরো বাড়বে বলে মনে করেন পরিবহন শ্রমিকরা।
অপর দিকে ফেরিঘাটে যানজটের কারণে যথাসময়ে গাড়ি না ফেরার কারণে ছাড়তেও বিলম্ব হচ্ছে। তবে বাস সার্ভিসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে এমন অভিযোগ করেছে যাত্রীরা। বিভিন্ন কারণে শেষ মুহূর্তে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ-দুর্দশা মাথায় নিয়েই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি যেন রাস্তায় না চলতে পারে, সে জন্য পুলিশ কে সতর্ক রাখা হয়েছে। ঈদে ঘর মুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছেন কর্তব্যরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ঢাকা-খুলনা-গোপালগঞ্জ  মহাসড়কে বড় ধরনের যানজট না থাকায় গাড়িগুলোও ছেড়ে যাচ্ছে নির্ধারিত সময়ে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সিডিউলে প্রভাব পড়ে। দেরিতে পৌঁছার কারণে ছাড়তেও বিলম্ব হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখনো সহনীয়।
পুলিশ লাইন মোড়ে আনিস নামের এক কাউন্টার ম্যানেজার বলেন, গতবারের চেয়ে এবারে যাত্রীদের চাপ কম। অনেকে আগে পরিবার পাঠিয়ে দিয়েছে। আবার ছুটি কম হওয়ায় অনেকে বাড়ি যাচ্ছেন না। আবার অনেকে বলছেন ভিড় বাড়বে। যদিও লোকজন আগের চেয়ে সচেতন হয়ে পরিকল্পিত ভাবে ঈদে বাড়ি ফেরায় ঝামেলা কমেছে বলে মনে করছেন।
এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে কাঁধে ব্যাগ, কোলে শিশু নিয়ে গোপালগঞ্জ ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। আগাম ছুটি নিয়ে কর্মজীবী মানুষ ফিরছে পরিবার-পরিজন নিয়ে। এ দলে রয়েছে শিক্ষার্থীরাও। সবারই গন্তব্য জন্মভিটা। এবার পবিত্র ঈদ-উল ফিতর সাপ্তাহিক ছুটির দিনে হওয়ায় এ উপলক্ষে সরকারি ছুটি খুবই কম। তাই চাকরিজীবীদের অনেকেই শবে কদর ও ঈদের ছুটির মধ্যবর্তী বৃহস্পতিবার কর্ম দিবসের ছুটি নিয়ে অনেকেই গ্রামের পথে পা বাড়িয়েছেন। এ দিনের ছুটি না পেয়ে কর্মজীবী অনেকে  গোপালগঞ্জে থেকে গেলেও শেষ সময়ে যাত্রা পথের ভোগান্তি এড়াতে কেউ কেউ পরিবার-পরিজনকে বাস তুলে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে প্রতিদিনই বাস টার্মিনালে রয়েছে ঘরমুখো মানুষের ঢল।
গোপালগঞ্জের পরিবহন সংশ্লিটরা জানায়, আগাম টিকিটে ঈদযাত্রা আরো কয়েক দিন আগে শুরু হলেও ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে মূলত মঙ্গলবার সকাল থেকেই। যা টানা ঈদের আগের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত থাকবে। তবে ক'দিন আগে পাটুরিয়া ঘাটে তীব্র যানজট দেখা দেয়ায় তাদের মাঝে নতুন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থা চলমান থাকলে ঈদের আগে দূরপাল্লার অনেক বাসের একাধিক যাত্রা শিডিউল মিস হবে, যা ঘরমুখো মানুষকে চরম বিপাকে ফেলবে। পাশাপাশি পরিবহন ব্যবসায়ীরা মারাত্বক লোকসানের মুখে পড়বে বলে মনে করেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা।
গত কয়েক দিন গোপালগঞ্জের কুয়াডাঙ্গা, পুলিশ লাইন, বেতগ্রাম, ঘোনাপাড়া, কলেজ মোড় ঘুরে দেখা গেছে, সব জায়গাতেই ঘর মুখো মানুষের ঢল। তীব্র জনস্্েরাতে কোথাও এক মুহূর্ত থেমে থাকার উপায় নেই। ছোট-বড় বাক্স-পেটরা-লাগেজ নিয়ে সবাই ছুটছে কে কার আগে বাসে নির্ধারিত আসনে বসতে পারে। ঢাকা-খুলনা-গোপালগঞ্জ রুটের বিভিন্ন স্থানে কিছুটা যানজটের খবর পাওয়া গেছে। ভাঙাচোরা সড়কের কারণেই অধিকাংশ স্থানে যানজট তৈরি হয়েছে। যা ভারি বৃষ্টিপাত হলে আরো বাড়বে বলে মনে করেন পরিবহন শ্রমিকরা।
অপর দিকে ফেরিঘাটে যানজটের কারণে যথাসময়ে গাড়ি না ফেরার কারণে ছাড়তেও বিলম্ব হচ্ছে। তবে বাস সার্ভিসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে এমন অভিযোগ করেছে যাত্রীরা। বিভিন্ন কারণে শেষ মুহূর্তে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ-দুর্দশা মাথায় নিয়েই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি যেন রাস্তায় না চলতে পারে, সে জন্য পুলিশ কে সতর্ক রাখা হয়েছে। ঈদে ঘর মুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছেন কর্তব্যরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ঢাকা-খুলনা-গোপালগঞ্জ  মহাসড়কে বড় ধরনের যানজট না থাকায় গাড়িগুলোও ছেড়ে যাচ্ছে নির্ধারিত সময়ে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সিডিউলে প্রভাব পড়ে। দেরিতে পৌঁছার কারণে ছাড়তেও বিলম্ব হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখনো সহনীয়।
পুলিশ লাইন মোড়ে আনিস নামের এক কাউন্টার ম্যানেজার বলেন, গতবারের চেয়ে এবারে যাত্রীদের চাপ কম। অনেকে আগে পরিবার পাঠিয়ে দিয়েছে। আবার ছুটি কম হওয়ায় অনেকে বাড়ি যাচ্ছেন না। আবার অনেকে বলছেন ভিড় বাড়বে। যদিও লোকজন আগের চেয়ে সচেতন হয়ে পরিকল্পিত ভাবে ঈদে বাড়ি ফেরায় ঝামেলা কমেছে বলে মনে করছেন।

14.06.2018 | 02:48 PM | সর্বমোট ৭২৬ বার পঠিত

গোপালগঞ্জে ঘরমুখো মানুষের ঢল : লক্ষ্য স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি" data-width="100%" data-numposts="5" data-colorscheme="light">

জাতীয়

পুরনো সময় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আক্ষেপ

দেশের সরকারপ্রধান হিসেবে নিরাপত্তার বেড়াজালে থাকা জীবনে পুরনো সময় নিয়ে আক্ষেপ করে শেখ হাসিনা বলেছেন, এখন সময় এত কম! আর...... বিস্তারিত

19.10.2018 | 05:34 PM


রাজধানী

চট্টগ্রাম

ফেইসবুকে নিউজ ৭১ অনলাইন

ধর্ম

দণ্ড ও ক্ষমার অনুপম দৃষ্টান্ত

অনলাইন ডেস্ক:নবীজী দণ্ড দিয়েছেন, আবার ক্ষমার অনুপম দৃষ্টান্তও রচনা করেছেন। সামান্য রক্তপাতও এড়িয়ে গেছেন, আবার সাহাবীদের যুদ্ধের জন্য অনুপ্রেরণাও যুগিয়েছেন।শত্রুর...... বিস্তারিত

12.10.2018 | 04:46 AM

বিনোদন

চ্যানেল আই প্রাঙ্গনে আইয়ুব বাচ্চুর দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন

শুক্রবার বাদ আছর চ্যানেল আই প্রাঙ্গনে আইয়ুব বাচ্চুর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বিতীয় জানাজা শেষে বাংলাদেশের কিংবদন্তী এই ব্যান্ড সঙ্গীতশিল্পীর...... বিস্তারিত

19.10.2018 | 05:32 PM

সর্বশেষ সংবাদ

সব পোস্ট

English News

সম্পাদকীয়

বিশেষ প্রতিবেদন

মানুষ মানুষের জন্য

আমরা শোকাহত

অতিথি কলাম

সাক্ষাৎকার

অন্যরকম

ভিডিওতে ৭১এর মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস

ভিডিও সংবাদ