নিউজ রুম এডিটর, নিউজ৭১অনলাইন

পাকা ধান কৃষকের গলার দড়ি!!

সাইদুর রহমান। 
 
             বাংলাদেশ সবজি উৎপাদনে বিশ্বে  তৃতীয় এবং ধান উৎপাদনে চতুর্থ অবস্হানে আছে। আর সেই
 ধান ক্ষেতে আগুন!  এটা  রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে অপমানজনক অধ্যায়!  " পাকা ধানে মই "এটা অন্যের ক্ষতিসাধনের জন্য প্রবাদটি প্রযোজ্য। টাঙ্গাইলের কৃষক নিজের ধান ক্ষেতে নিজে আগুন লাগানোতে প্রবাদ বচনেও নতুনত্ব এসেছে। ধান ক্ষেতে আগুনে সরকার অন্য রকম গন্ধ পাচ্ছেন। ধরে নিলাম কৃষক নিজের নাখ কেটে অন্যের যাত্রা ভঙ্গ করার চেষ্টা করেছেন । কিন্তু বর্তমানে পাকা ধান কৃষকের গলার দড়ি এটা তো সরকার কিংবা রাষ্ট্র অস্বীকার করতে পারবে না। পাকা ধানে আগুন বা পাকা ধানে মই দেওয়া ছাড়া কোন উপায় তাঁরা খুঁজে পাচ্ছেন না।  
     আমাদের দেশে দাবী আদায়ের জন্য কেউ মানববন্ধন করে, কেউ গাড়ী ভাঙ্গে অথবা পেট্রোল বোমা মারে আবার কেউ লোক দেখানো প্রতীকী অনশন করে।  কৃষক তাঁর রক্তমাখা, ঘাম ঝড়া  নিজের  পাকা ধান ক্ষেতে,  নিজেই আগুন দিয়ে ভাষাহীন এক জ্বালাময়ী প্রতিবাদের দৃষ্টান্ত স্হাপন করেছেন । দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে কোন কৃষক তার ধান ক্ষেতে আগুন দিয়েছে এমন তথ্য নাই।কৃষক তাঁর ধান ক্ষেতে আগুন দেয়নি, আগুন দিয়েছে শোষণের আষ্টেপৃষ্ঠে, আগুন দিয়েছে রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারকের মুখে, আগুন দিয়েছে বৈষম্য মূলক বাজার ব্যবস্থার মুখে, আগুন দিয়েছে জাতীর বিবেকের মুখে।    

        বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় খাত হচ্ছে কৃষি। দেশে মোট কৃষি পরিবার ১,৫১,৮৩,১৮৩টি আর আবাদী জমি আছে ৮৫,৭৭ লক্ষ হেক্টর।  ( তথ্য কৃষি পরিসংখ্যান) ২০১৮ সালের বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষার তথ্যমতে, কৃষিখাত মোট শ্রমশক্তির ৪০.৬ ভাগ যোগান দিয়ে থাকে এবং দেশের জিডিপিতে এর অবদান ১৪.১০ শতাংশ।দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে যেমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র দূরীকরণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং খাদ্য নিরাপত্তায় এই খাতের ভূমিকা অনস্বীকার্য। দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে, এমপি, মন্ত্রী সবাই স্বীকার করেন কৃষকেরা খাদ্যের নিরাপত্তা দিয়ে পেট নামক মহাজনের মাথা ঠিক রাখেন। কিন্তু কৃষকের নিরাপত্তা দিবেন কে? অবহেলার চরম বেত্রাঘাতে কৃষক আজ কঙ্কাল স্বরূপ। আমার মতে কৃষকরা হলেন অন্নযোগান দানকারী একটা গোষ্ঠী,  যাঁরা  অযত্নে, অবহেলায় পরে আছে এ দেশের সমগ্র ভূখন্ডে । দেশের জনসংখ্যার তুলনায় তাঁদের সংখ্যা গরিষ্ঠতা যেমন বেশী,  তেমনি বঞ্চিত এবং অবহেলিতও তাঁরা বেশী । তাঁদের চিনতে অসুবিধা হয়না। কারন কঙ্কাল স্বরূপ অর্ধ উলঙ্গ চেহারাই বলে দেয় উনারা কৃষক । 

   তাঁদের ভবিষৎ স্বপ্ন প্রদীপ বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে । উন্নয়নের প্লাবনে  তাঁদের রক্তের হিমোগ্লোবিন ঘোলাটে  হয়ে যাচ্ছে । রক্তশূণ্যতা তাঁদের দেহে স্থায়ীভাবে বাসা বেঁধেছে । অভাব, ঋণগ্রস্হতা, কণ্যা দায়গ্রস্হতা, রোগাগ্রস্হতা তাঁদের নিত্যদিনের সঙ্গী । অতিবৃষ্টি -অনাবৃষ্টি, ফণী, আইলা তাঁদেরকে হিংস্র বাঘের মতো প্রতিনিয়ত আক্রমন করছে।  দিনের পর দিন রোদে পোড়ে বৃষ্টিতে ভিজে তাঁরা ফসল ফলাচ্ছেন, অথচ মধ্যসত্বভোগীরা ফসলের লাভ ভক্ষণ করে তৃপ্তির ঢেকুর তুলছে । ঋণের কষাঘাতে তাঁরা ক্ষত -বিক্ষত । তাঁদেরকে শান্তনার বাণী শোনাবে কে  ? বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে " গ্রাম হবে শহর " এই স্লোগানটি জাতির দৃষ্টিগোচর হয়েছিল।  কিন্তু বাস্তবতা আজ ভিন্ন চিত্র দেখাচ্ছে। বর্তমান পরিস্হিতিতে সরকার কৃষকের প্রতি বিমাতা সূলভ মনোবৃত্তি প্রদর্শন করতেছেন । 
      স্বাধীনতার অর্ধ বছর কালের গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে । জাতিরজনকের সোনার বাংলা স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য বাংলার কৃষকেরা সাধ্যের সবটুকু দিয়েছেন। কারন স্বাধীনতার পর থেকে এ দেশের কৃষকের শত প্রতিকূলতা থাকা সত্বেও,  ধান উৎপাদন তিনগুন বৃদ্ধি করেছেন।সোনার বাংলা স্বপ্নের বাস্তব রুপ দিতে হলে দেশের সোনার মানুষদের কদর করতে হবে । কৃষি বিপ্লবের মাধ্যমে সোনার বাংলার স্বপ্ন পূরন দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার নয়। জিডিপির ত্রিশ ভাগ আসে কৃষি থেকে । এ দেশের শতকরা ৮০ ভাগ শ্রমজীবি মানুষের মধ্যে ৬৫ ভাগ মানুষেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে কৃষির সাথে  জড়িত। যত কথাই বলেন না কেন  ? দেশের উন্নয়নের মূল ভিক্তি কৃষি ।   সরকারের কৃষি সংশ্লিষ্ট মহল যখন বলেন,  ধানের ফলন বাম্পার হয়েছে। তখন অপ্রাপ্তির চিন্তায় কৃষকের চোখে ঘুম আসে না, ধানের ন্যায্য মূল্যায়ন পাবেন কিনা এই চিন্তায়। জাতীয় অর্থনীতির সূচক উন্নয়নের ক্ষেত্রে কৃষির অবদান অনস্বীকার্য হলেও,  কৃষকেরা যুগে যুগে অবহেলিত হচ্ছে ।

       বাংদেশের প্রথম বাজেট ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা । এ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট( ২০১৯- ২০) প্রায় সোয়া ৫ লাখ হাজার কোটি টাকা । গত বছর  বাজেটে কৃষিতে বরাদ্দ ৪.৩ %। প্রতি বছর বাজেটের আকার বাড়ে।কিন্তু কৃষিতে বরাদ্দ প্রতি বছরেই কমে।  বিগত বছর গুলোতে অর্থনেতির সকল সূচক সর্বদিকে অপ্রত্যাশিত গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে । কিন্তু হতভাগা, হতদরিদ্র কৃষকের  সূচকের কোন উন্নতি হচ্ছে না ।  বাজেটে কৃষিতে বরাদ্দ কমে গেলে অসাধু মহাজনরা সুযোগে সৎ ব্যাবহার করবেন।
   বর্তমানে ধান/ চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে ফাড়িয়া আর চালকল মালিকেরা । কৃষি পণ্যের সঠিক মূল্যায়নের অভাবে, বিমূখী বাজার নীতি, প্রক্রিয়াজাতের অভাব,  সবমিলে কৃষি এখন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এবং অলাভ জনক খাতে পরিণত হয়েছে । সরকারী ভাবে কৃষি পণ্য ক্রয়ের নীতিমালা অতি প্রাচীন  । নীতিমালা যুগ উপযোগী না হওয়ায়,  অসাধু সরকারী কর্মচারীদের হাতে জিম্মি হয়ে,  কৃষকেরা কম দামে সরকারি গুদামে  কৃষিপণ্য বিক্রি করেন। 
     সরকার কৃষিপণ্য,  বিশেষ করে ধানের ন্যায্য মূল্য নির্ধারনে বার বার কৃষকের প্রতি অবিচার করেছেন । এ বছর বোরোধানে কৃষকের প্রতি মণ ধানে উৎপাদন খরচ পরেছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা । অথচ কৃষকেরা বিক্রি করেন ৪০০ থেকে ৫০০  টাকা মণে । বাংলাদেশের কোন ব্যবসায়ী তার উৎপাদিত পণ্য উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে বিক্রি করেন,  এমন দৃষ্টান্ত বিরল।  একমাত্র বিবর্ণ কৃষক তাঁর হাঁড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের ফসল লোকসানে বিক্রি করেন।
         
     মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতির উদেশ্য ভাষনে বলেছেন, বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, রপ্তানি করার মতো চাল মজবুত আছে । এটা জাতির জন্য স্বস্তিকর।  কিন্তু কৃষককের প্রতিটি ঘামের কণা আজ চিৎকার দিতে  পারছেনা এই বলে,  আমার ঘামের সঠিক মূল্য কোথায়?  কৃষক  তাঁর পণ্যের  ন্যায্যমূল্যের জন্য আন্দোলন করাটা বিলাসিতা নয়,এটা তার যৌক্তিক দাবী। যদি কৃষকের মধ্যে একবার বিস্ফোরণ ঘটে অথবা ধান উৎপাদন করবেনা বলে ঘোষণা দেন,  তাহলে দিশেহারা হবে সরকার এবং রাষ্ট্র ব্যবস্থা। 
       কৃষিতে বিদুৎতের দাম বেড়েছে ৩০ ভাগ ।  জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে ৫৫ ভাগ । সাথে সাথে শ্রমের দাম বেড়েছে বহুগুণে । সেচের ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে সময়ের তালে তাল মিলিয়ে।একদিকে সার, কীটনাশক, এবং কৃষি উপকরনের মূল্য আকাশচুঙ্গী । দিনে দিনে জমি হারাচ্ছে উর্বরা শক্তি । অন্যদিকে কৃষক পাচ্ছেন না তাঁর উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মূল্য।     
                     কৃষককের প্রাণের দাবি  " অনুদান চাই না, অনুকম্পা চাই না,
উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য চাই  "
       ইলিশ, গরুর মাংস ভক্ষণ তো দূরের কথা, ভালো একটা লুঙ্গী মিলে না এক মণ ধান বিক্রি করে । বন্যা অথবা খড়ার ভয়ানক থাবায় কৃষকেরা দিশেহারা হয়ে ঋণের জন্য ব্যাংকের দারস্হ হন। সেখানে দালাল আর ব্যাংক কর্মকর্তাদের ফাঁদে পরেন। বিশ হাজার টাকা ঋণ নিতে ওদেরকে দিতে হয় পাঁচ হাজার টাকা ঘুষ । আবার সেই দুর্নীতিবাজ ব্যাংকের লোকেরা  কৃষকদের বিরোদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা দিচ্ছে । 
      ব্যাংক গুলিকে দালাল মুক্ত করতে হবে আরও সহজ সর্তে  কৃষককে ঋণ দিতে হবে। দশ টাকায় এক কোটি কৃষককে ব্যাংক একাউন্ট খুলে দেওয়ার জন্য আওয়ামী সরকারকে সাধুবাদ জানাই । বর্তমানে এক কোটি ৪৩ লক্ষ ৭৫ হাজার কৃষককে কৃষি কার্ড দিয়েছে বর্তমান সরকার। পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে না পারলে ভর্তুকি হবে কৃষকের জন্য কাটা গায়ে নুনের ছিটা। 
      ই-কৃষককে রূপান্তরিত করার জন্য সরকার ঢাক-ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা দিচ্ছেন। যে কৃষকের পড়নে কাপড় নেই, শিক্ষিত করার কোন সরকারী উদ্যোগ চোখে পরেনা। সে কৃষককে প্রযুক্তির গান শুনানো বড়ই বেমানান। বরং কৃষি বীমা চালু করতে পারলে । বাংলার কৃষককের  প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত চাপ কমে যাবে এবং ঋণের বুঝাও কমবে । 
   এদেশের কৃষি এবং কৃষক গোষ্ঠীকে বাঁচাতে হলে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে । পণ্যের সঠিকভাবে মূল্য নির্ধারন করতে হবে । বাজেটে ধান- চাউল ক্রয়ের বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে।  সরকারী -বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে পণ্য কিনতে হবে । কৃষকের জন্য পল্লী রেশনিং এর 
ব্যবস্থা করতে হবে।  প্রতিটি থানা / ইউনিয়নে কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াজাতের ব্যবস্থা করতে হবে । কৃষি ভিক্তিক শিল্প স্হাপন করতে হবে । কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে,  সার, কীটনাশক, কৃষি উপকরনের দাম সমন্বয় করতে হবে । বিএডিসিকে শক্তিশালী করতে হবে। কৃষি আদালত গঠন, মৌসুমভিত্তিক সুদবিহীন কৃষিঋণ প্রদান, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে কৃষিমার্কেট ও হিমাগার স্থাপন করতে হবে। 
              কৃষককে আধুনিক কৃষি চাষাবাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে ।  শিক্ষিত যুবকদেরকে কৃষিতে সম্পৃক্ত করতে হবে ।  জিডিপিতে কৃষির অবস্হান অনুযায়ী বাজেটে তার প্রতিফলন থাকতে হবে । নতুবা  কৃষিতে  ক্রমেক্রমে  নেমে আসবে ভয়াবহ বিপর্যয় । দেখা যাবে এক সময়  পাট চাষ, আখ চাষের মতো ধান চাষ থেকেও কৃষকেরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। তখন প্রবৃদ্ধি অর্জনে ব্যর্থ হবে সরকার এবং মধ্য আয়ের দেশ হিসাবে খাতায় নাম উঠানো দুরূহ হবে ।
      কৃষকেরা হয়তোবা আন্দোলন বুঝেন না। বুঝলে তাঁদের আন্দোলন হতো সবচেয়ে যুক্তি সংগত । তবে সব কিছুর শেষ আছে । কৃষকের বর্তমানে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে । বিস্ফোরণ যে কোন প্রেক্ষাপটে ঘটতে পারে  ।।
            লেখক  ও  কলামিস্ট

16.05.2019 | 01:12 PM | সর্বমোট ৪৫২ বার পঠিত

পাকা ধান কৃষকের গলার দড়ি!!" data-width="100%" data-numposts="5" data-colorscheme="light">

জাতীয়

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নেয়া হচ্ছে না

ভাসানচর রোহিঙ্গাদের থাকার জন্য উপযুক্ত স্থান হলেও আপাতত ভাসানচরে নেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা....... বিস্তারিত

26.06.2019 | 07:25 PM


রাজধানী

জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবিতে বাউল তরীর মানববন্ধন ।

জাতীয় বাজেটে সংস্কৃতি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নিবেদিত কন্ঠশিল্পী,গীতিকার, নাট্যকার,কবি, সাহিত্যিক, গীতিকবি...... বিস্তারিত

26.06.2019 | 11:44 PM

চট্টগ্রাম

বাঁশখালীতে দিনদুপুরে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই ভাই নিহত

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই ভাই নিহত হয়েছেন। তাদের নাম জাফর মেম্বার (৪৮) ও খলিলুর (৪৫)। র‌্যাবের দাবি,...... বিস্তারিত

21.06.2019 | 11:29 PM

ফেইসবুকে নিউজ ৭১ অনলাইন

ধর্ম

যেভাবে কবর জিয়ারত করবেন

মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ   ::কবর জিয়ারত করা সুন্নত। এটি হৃদয়কে বিগলিত করে। নয়নযুগলকে করে অশ্রুসিক্ত। স্মরণ করিয়ে দেয় মৃত্যু ও আখিরাতের...... বিস্তারিত

22.06.2019 | 06:33 PM

বিনোদন

সর্বশেষ সংবাদ

সব পোস্ট

English News

সম্পাদকীয়

বিশেষ প্রতিবেদন

মানুষ মানুষের জন্য

আমরা শোকাহত

অতিথি কলাম

সাক্ষাৎকার

অন্যরকম

ভিডিওতে ৭১এর মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস

ভিডিও সংবাদ