মাকে ফোন করে মৃত্যু সংশয়ের কথা জানানোর পরদিন দিনমজুরের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত: ৫:৩১ অপরাহ্ণ , জুলাই ২৫, ২০২২

মাকে ফোন করে মৃত্যু সংশয়ের কথা জানানোর পরে দিন সাভারের আশুলিয়ায় রফিকুল (২৫) নামের এক দিনমজুরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের ৪ রুমমেটকে আটক করা হয়েছে।

রবিবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে আশুলিয়ার জিরাবোর বটতলা এলাকার একটি পরিত্যক্ত মাঠ থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত রফিকুল ইসলাম নেত্রকোনা জেলা সদর থানার পঞ্চনানপুর গ্রামের মৃত হাশেম উদ্দিনের ছেলে।

তিনি জিরাবো বটতলা এলাকার আবুল কাশেমের বাড়িতে ভাড়া থেকে দিন মজুরের কাজ করতেন। আবুল কাশেমের বাড়িতে ভাড়া থাকলেও পার্শ্ববর্তী ভাড়াটিয়া জাহাঙ্গীরের বাসায় তিনি মাসিক চুক্তিতে খাবার খেতেন।

এঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটকরা হলেন- রিয়াদ, হৃদয় ও রানা। তারা সবাই নেত্রকোনা জেলা সদরের বাসিন্দা। অপরজনের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায় নি।

নিহতের ভাই হুমায়ুন কবির নয়ন বলেন, গতকাল রাতে ৯ টার দিকে মাকে আমার ছোট ভাই ফোন করে বলে রিয়াদ, হৃদয়, রানাসহ আরও একজনের সাথে তার ঝগড়া হয়েছে।

পরে বাড়ি ওয়ালা আবুল কাশেম তাদের ঝগড়া মিমাংসা করে দেয়। রাত সাড়ে ১১ টার দিকে আবার মাকে ফোন করে আমার ছোট ভাই বলে তাকে রানা,

রিয়াদ ও হৃদয়সহ চার জন মেরে ফেলবে। কথা বলা শেষে আলমগীর নামের এক জনের বাসায় রাতের খাবার খেয়ে বাসায় যায় রফিকুল।

আজ সকালে শুনি আমার ভাই গলায় গামছা পেচানো অবস্থায় মাঠের মধ্যে মরে পরে আছে। অনেকে বলছে আত্মহত্যা।

কিন্তু পুলিশ বলছেন ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ তিনি পাননি। আমার ধারণা আমার ভাইকে ওরাই হত্যা করেছে।

আমাদের ফ্যামিলিতে কোন সমস্যা নাই, ভাইয়ের কোন টেনশনও নাই। ভাই কেন আত্মহত্যা করবে। তারাই আমার ভাইকে হত্যা করেছে।

এব্যাপারে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাচিব সিকদার বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এঘটনায় তার রুমমেট ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।