আশুলিয়ায় মুক্তি গণ পাঠাগার এর সেরা পাঠকদের সনদপত্র প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ৯:৪৪ অপরাহ্ণ , জুলাই ২৪, ২০২২

“মুজিব শতবর্ষে শত গ্রন্থাগারে পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই , সোনার মানুষ হই” শীর্ষক পাঠ কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী সেরা পাঠকদের সনদপত্র প্রদান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
২৪ জুলাই রোববার বিকেলে আশুলিয়ার কাঠগড়া এলাকায় অবস্থিত মুক্তি গণ পাঠাগার এর কার্যালয়ে উৎসব মুখর পরিবেশে উক্ত অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় ।
মুক্তি গণ পাঠাগার আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তমিজ উদ্দিন সরকার পাবলিক স্কুল এর প্রধান শিক্ষক ও কাঠগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক তমিজ উদ্দিন সরকার । প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ আতাউর রহমান মোল্লা ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ড মেম্বার মোহম্মদ আলী সরকার, শিকদার খায়রুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষিকা নাহার আক্তার সোমা, জিনিয়াস বিল্ডার্স কন্সালটেন্ট ফার্ম এর সিইও ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মহসিন, আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম, ডা. খাইরুল ইসলাম, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান সহ এলাকার বইপ্রেমী ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গ ।

এ এম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ এর অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল মালেক এর সঞ্চালনায় ও মুক্তি গণপাঠাগার এর প্রতিষ্ঠাতা জনাবা ফরিদা ইয়াসমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন বই মানুষের প্রকৃত বন্ধু, বই মানুষের জ্ঞানের জ্ঞান । যে জাতি যত বেশি বই পড়ে সে জাতি সভ্যতায় ততবেশি এগিয়ে থাকে । আর মানুষের মধ্যে আছে অনন্ত জিজ্ঞাসা, অসীম কৌতুহল । তার এই অনন্ত জিজ্ঞাসা, অন্তহীন জ্ঞান ধরে রাখে বই। আর বই সংগৃহীত থাকে পাঠাগারে। পাঠাগার হলাে সাহিত্য, ইতিহাস, ধর্ম, দর্শন, বিজ্ঞান ইত্যাদির এক বিশাল সংগ্রহশালা।

মুক্তি গণ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা জনাবা ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থী ও যুব সমাজকে বইয়ের দিকে আকৃষ্ট করে তাদেরকে সামাজিক অপরাধ থেকে রক্ষা করা ও সুন্দর মনের মানুষ গড়ায় ভুমিকা রাখার প্রত্যাশায় জন্ম হয়েছিল মুক্তি গণ পাঠাগারের। হাটি হাটি পা পা করে আজ অনেক দুর এগিয়েছে এই বই ভান্ডারটি । এলাকায় এমন একটি গণ পাঠাগারের খুবই প্রয়োজনীয়তা বোধ করছিলাম। একটি সুন্দর সমাজ গঠনে গণ পাঠাগারের গুরুত্ব অপরিসীম । মানুষের শরীরের জন্য যেমন খাদ্যের দরকার, তেমনি মনের খাদ্যও তার প্রয়ােজন। এই প্রয়ােজন মেটাতে পারে পাঠাগার। পাঠাগার মানুষের ক্লান্ত, বুভুক্ষু মনকে আনন্দ দেয়। তার জ্ঞান প্রসারে রুচিবােধ জাগ্রত করে।পাঠাগার মানবসভ্যতার অগ্রগতির ধারাবাহিক ইতিহাস, মানব-হৃদয়ের মিলনক্ষেত্র। সুস্থ সংস্কৃতির বিস্তার ঘটাতে পাঠাগার একান্ত অপরিহার্য বলেই মনে করি ।