সিলেট অঞ্চলে আবারও বন্যার আশঙ্কা

প্রকাশিত: ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ , জুলাই ২, ২০২২

ভারী বৃষ্টি আর উজানের ঢলে আবারো সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যার শঙ্কা। দু’সপ্তাহের বন্যার ক্ষয়ক্ষতির রেশ কাটতে না কাটতে আবারও প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। সুনামগঞ্জ জেলার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে উপজেলাগুলোর। পানি বাড়ছে নেত্রকোণার নদ-নদীতে। দ্বিতীয় দফার বন্যায় দুর্ভোগে কুড়িগ্রামের বানভাসীরা।

দু’দিনের ভারী বর্ষণ আর উজানের ঢলে সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি চারটি পয়েন্টে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নতুন করে পানি বাড়ায় কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরের নিম্নাঞ্চলের মানুষ ঠাঁই নিচ্ছে আশ্রয়কেন্দ্রে।

সুনামগঞ্জের চিত্রও একইরকম। নদ-নদীর পানিতে প্লাবিত হচ্ছে তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, জামালগঞ্জ, দোয়ারাবাজার, ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলার নিম্নাঞ্চল। জেলা সদরের সাথে আবারো উপজেলাগুলোর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এদিকে দুদিনের টানা বৃষ্টিতে আবারো বন্যার আশঙ্কা নেত্রকোনায়ও। স্বাভাবিক হয়নি সড়ক যোগাযোগ। ১০ উপজেলায় এখনও পানিবন্দি প্রায় পঁয়ষট্টি হাজার পরিবার।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বেনুটিয়া ও মাজ্জানে যমুনার ডানতীর রক্ষা বাধের প্রায় ৩শ মিটার ধসে পড়েছে। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে ১০টি ঘর। আতঙ্কে দিন কাটছে নদী তীরের বাসিন্দাদের।

কুড়িগ্রামে দ্বিতীয় দফার বন্যায় নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কমপক্ষে ২০ হাজার মানুষ। বেড়েছে বানভাসিদের দুর্ভোগ।

লালমনিরহাটে ধরলা নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। তবে ধরলা নদী রক্ষাবাধের কিছু স্থানে ভাঙন দেখা দেয়ায় আতঙ্কে স্থানীয়রা।

গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি এখানো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পানি বাড়ছে। আতঙ্কে চরাঞ্চলের বাসিন্দারা।

রাজবাড়ীতে বাড়ছে পদ্মার পানি। এতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে ৪টি উপজেলার নিম্নাঞ্চল।