দুই ডোজ টিকায় বাংলাদেশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন

প্রকাশিত: ১:৩৫ অপরাহ্ণ , জুন ২৭, ২০২২

করোনা মহামারী প্রতিরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, দেশে এখন পর্যন্ত পূর্ণ দুই ডোজ টিকা পেয়েছে ১১ কোটি ৯১ লাখ ৯৯ হাজার ২৪৫ মানুষ। সে হিসেবে দেশের মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশকে দুই ডোজের টিকার আওতায় আনতে পেরেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

সোমবার (২৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা কর্মসূচির পরিচালক ডা. মো. শামসুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, টার্গেটকৃত জনসংখ্যাকে দুই ডোজের টিকার আওতায় আনার মাধ্যমে আমরা একটি বড় সফলতা অর্জন করেছি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার টার্গেট ছিল ২০২২ সালের ৩০ জুনের মধ্যে কমপক্ষে ৭০ শতাংশ মানুষকে পূর্ণ দুই ডোজ টিকার আওতায় আনতে হবে। আমরা সময়সীমার চার দিন আগেই এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনার টিকাদান বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশে ভ্যাক্সিনেশন কার্যক্রমের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১২ কোটি ৮৯ লাখ ৯৫ হাজার ৮০৯ জন। এছাড়া দুই ডোজ টিকার আওতায় এসেছেন ১১ কোটি ৯১ লাখ ৯৯ হাজার ২৪৫ জন মানুষ। আর বুস্টার ডোজ নিয়েছে দুই কোটি ৮৭ লাখ ৮২ হাজার ৯০৪ জন।

গত ১ নবেম্বর থেকে বাংলাদেশে ১২-১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত এক কোটি ৭৩ লাখ ৩৪ হাজার ২১৪ জনকে প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে এক কোটি ৬০ লাখ ২২ হাজার ৮৩৭ জনকে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশে এই পর্যন্ত ৩ লাখ ২৬ হাজার ১২১ জন ভাসমান জনগোষ্ঠী টিকার আওতায় এসেছেন। তাদেরকে জনসন অ্যান্ড জনসনের সিঙ্গেল ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দেশে টিকা কর্মসূচির শুরুর দিকে অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় পর্যায়ক্রমে ৮০ শতাংশ মানুষকে করোনার টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। এরপর স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক নিজেও সংসদকে বলেন যে দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। পরে আবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এই টিকা দেওয়া হবে মোট জনগোষ্ঠীর ৭০ শতাংশ মানুষকে।