পদ্মা সেতু চালুর পরও সচল থাকবে শিমুলিয়া নৌরুট

প্রকাশিত: ১:৪০ অপরাহ্ণ , জুন ১১, ২০২২

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, পদ্মা সেতু চালুর পরেও শিমুলিয়া নৌরুট সচল থাকবে। তিনি বলেন, “নৌরুট বন্ধ হলে নৌযান শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়বে। শেখ হাসিনা যখন দেশের প্রধানমন্ত্রী তখন এদেশে কেউ বেকার থাকবে না। সবারই কর্মসংস্থান হবে।”

শনিবার (১১ জুন) সকালে মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালাবাড়ির ইউনিয়নের বাংলাবাজার ঘাট এলাকায় আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাস্থল পরিদর্শন কালে তিনি এ কথা বলেন।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে ঘিরে বিভিন্ন দপ্তর থেকে যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়নে কাজ চলছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ৩ শতাধিক লঞ্চ বাংলাবাজার ঘাটে আসবে, সেগুলো কিভাবে নোঙ্গর করা হবে, সেসব বিষয়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। জনগণকে কিভাবে সঠিক সেবা দেয়া যায়, সেটার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ৫০ বছরের ইতিহাসে এমন উৎসবমুখর অনুষ্ঠান কোনদিনও হয়নি, যা ২৫ জুন হতে যাচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাবাজার ও শিমুলিয়া এই দুই ঘাটের শ্রমিকরা যাতে কর্মহীন না হয়ে পরে সে ব্যাপারেও শেখ হাসিনা সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।”

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, “গত ১৩ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে নৌ, সড়ক, রেল ও আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথের উন্নয়ন করা হচ্ছে। ৩৭টি নদী বন্দর এবং সমুদ্র বন্দরগুলোর উন্নয়ন, ৬ লেন ও ৪ লেনের সড়ক, আকাশপথে কানাডাসহ আন্তর্জাতিক রুটে বিমান চলাচল হচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে রোল মডেল।”

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথিবীর দক্ষ প্রশাসকদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশ নিরন্তর গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।”

এ সময় জাতীয় সংসদের চীফ হুইফ নূর-ই আলম চৌধুরী এমপিও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, “২৫ জুন প্রতিটি জেলায় একসাথে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আনন্দ উৎসব উদযাপিত হবে। এটি দেশের মানুষের জন্য বড় চমক। এছাড়া পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পরও ৩০ জুন পর্যন্ত সভাস্থলে উদযাপিত হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।”

তিনি আরও বলেন, “পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় ১০ লাখের বেশি লোকের সমাগম হবে। এতো মানুষের সার্বিক উপস্থিতি ও নিরাপত্তায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।”

পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন- মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুনীর চৌধুরী, পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।