মোহনগঞ্জ থানায় সচিবালয়ের পিয়ন সুমনের নামে মামলা

বুলবুল আহমেদ বুলবুল আহমেদ

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৪:০২ অপরাহ্ণ , জুন ৩, ২০২২

নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার ৭নং গাগলাজোড় ইউনিয়নের মান্দারবাড়ী গ্ৰামের শহিদ মিয়ার ছেলে সারোয়ার জাহান সুমন(40)নামের এক সচিবালয়ের পিয়নের দাপটে এলাকার সাধারন জনগন ও স্থানীয় ব্যবসায়ীগন জিম্মি হয়ে আছে বিগত কয়েক বছর ধরে।
তথাকতিত বাবরের ক্ষমতার ভরাতে চাকুরী পাওয়া এই সরকারী চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীর দাপটে এলাকার সাধারন লোকজন অতিষ্ট। ছুটি নিয়ে বাড়ী এসে মদ ও জুয়ার আসরে বসে একে, ওকে গালাগালিজ,মারধর করা সহ ,চাকুরী দেওয়ার নামে বিভিন্ন লোকজনের নিকট থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়াটা তার এক প্রকার ব্যবসা হিসাবে পরিনত হয়েছে ।লাখ লাখ টাকা নিয়ে চাকুরী দিবে বলে পরে টাকা ও নাই চাকুরীও নাই।
গত ২৮ তারিখ রাত ১২টার সময় সুমন তার আপন ভগ্নিপতি বিশিষ্ট মাদক ব্যবসায়ী,বিভিন্ন চুরি ডাকাতি মামলার আসামী তাপসকে নিয়ে মদ খেয়ে চাঁদা দাবী করে গাগলাজোড় বাজারের এক সাধারন ব্যাবসায়ী মোঃ সাকির মিয়ার(22)কফি হাউজে।
সাকির মিয়া তাঁর দাবি প্রত্যাখান করায়, তার দোকানের সহকারী ইমন মিয়াকে(২০) ও সাকির কে মারধর করে ।পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় সাকির মিয়া ও ইমন মিয়াকে সুমন ও তার ভগ্নিপতি তাপস ও তাদের দলবলের হাত থেকে উদ্ধার করে বাড়িতে পাঠালে, গভীর রাতে সুমনের আদেশে তাপস গিয়ে দোকানের থালা ভেঙ্গে সাকির মিয়ার দোকান থেকে নগদ ত্রিশহাজার টাকা আটাশ হাজার টাকা দামের একটি কফি মেশিন,সাতহাজার টাকার একটি সাউন্ডবক্স নিয়ে যায় ও দোকানে থাকা ,সিগারেট সহ বিপুল পরিমান সরঞ্জামাদীর লুঠপাট,ও পাশেই আর একটি দোকান ঘর ভাংচুর ও ক্ষয়ক্ষতি করে চলে যায়,যার মূল্য আনুমানিক পঞ্চাশ হজার টাকা। ।এ ব্যাপারে সাকির মিয়ার পিতা মোঃ সম্রাট মিয়া বাদী হয়ে মোহনগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ সাহেবের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করলে বিষয়টি মামলার এজাহার হিসাবে অন্তর্ভূক্ত হয় ।
মোহনগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্য অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেন ও মামলার কার্যক্রম চলমান আছে।
অপরদিকে বাদী সম্রাট মিয়াকে বিবাদী সুমন বার বার মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে এবং অন্যথায় বাজারে আসতে পারবেনা ও পুনরায় মারধর ও প্রাননাশের হুমকি দিচ্ছে।