বিদ্যমান রাস্তা সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত: ৫:৪২ অপরাহ্ণ , মে ১০, ২০২২

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, নতুন রাস্তা না করে বিদ্যমান রাস্তাগুলো সংস্কারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘পৃথিবীতে জনসংখ্যার ঘনত্ব বিবেচনায় বাংলাদেশে অনেক রাস্তা আছে। এখন সেগুলো প্রশস্ত, সংস্কার ও শক্তিশালী করতে হবে। এছাড়া তথ্য ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে জনগণকে আরও বেশি সচেতন করতে হবে। ’

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী। গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, এ পর্যন্ত ৩৯টি হাইটেক আইটি পার্ক স্থাপনের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। তারমধ্যে ৭টি স্থানে সফটওয়্যার টেকনোলজি, আইটি বিজনেস, ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়ার জন্য দেশের বিভিন্ন সম্ভাব্য অঞ্চলে আইটি পার্ক সৃষ্টির মাধ্যমে আইটি, হাই-টেক সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসা কার্যক্রম শুরুর জন্য এই সেক্টরের অবকাঠামোগত সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করা এবং দেশের প্রতিটি অঞ্চলে বিপিও সেক্টরের তরুণ উদ্যোক্তাদের একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য। এজন্য বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।

একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে-বাপবিবোর বিদ্যমান ৩৩/১১ কেভি পোল মাউন্টেড উপকেন্দ্রের নবায়ন ও আধুনিকায়ন প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হযেছে ৬৭৯ কোটি ৭২ লাখ টাকা। নেসকো এলাকায় স্মার্ট ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম বাস্তবায়ন প্রকল্প, ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪১ কোটি টাকা।

ইনসটেলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) উইথ ডাবল পাইপ লাইন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৫৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। লোকাল গভরনমেন্ট ইনিশিয়েটিভ অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (এলওজিআইসি) প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

শেখ জহুরুল হক পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, যশোর প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। মিঠামইন উপজেলার ঘোড়াউতরা, বোলাই-শ্রীগাং নদীর অংশবিশেষ ও ইটনা উপজেলার ধনু নদী, নামাকুড়া নদী এবং অষ্টগ্রাম উপজেলার ধলেশ্বরী নদীর অংশ বিশেষের নব্যতা উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪২ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অস্ত্রাগার (প্রথম পর্যায়ে ৪০টি) নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৪ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। দিনাজপুর সড়ক বিভাগাধীন হিলি (স্থলবন্দর)-ডুগডুগি-ঘোড়াঘাট জাতীয় মহাসড়ক যথাযথ মানে উন্নীতকরণসহ ৩টি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বিদ্যমান সরু/জরার্জির্ণ কালভার্টগুলো পুনঃনির্মাণ এবং বাজার অংশে রিজিড পেভমেন্ট ও ড্রেন নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৬৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা। শেরপুর (কানাসাখোলা)-ভীমগঞ্জ-নারায়ণখোলা-রামভদ্রপুর-পরানগঞ্জ-ময়মনসিংহ (রহমতপুর) সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৪২ কোটি ২৭ লাখ টাকা। শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন (১৪টি) প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১১৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। ১০০টি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা।