দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা

প্রকাশিত: ১০:৩৭ অপরাহ্ণ , আগস্ট ১১, ২০২১

মৌসুমী বায়ূ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে সক্রিয়, অন্যত্র মোটামুটি সক্রিয় থাকায় দেশের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

আজ সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ কথা জানিয়ে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

এ সময় আকাশ অংশিক মেঘলা থেকে মেঘলা থাকতে পারে। পরবর্তী দু’দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবনতা বাড়তে পারে। পরের ৫ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় সর্বোচ্চ রাজশাহীতে ৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া সিলেটে ৯১, সন্দ্বীপে ৬১, নেত্রকোনায় ৫৯, চট্টগ্রামে ৫৫ ও বগুড়ায় ৪৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এ সময় ঢাকায় মাত্র এক মিলিমিটার বৃষ্টি হয় বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

এছাড়া, সারাদেশের দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আজকের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায় ৩৫ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোনিন্ম তাপমাত্রা বগুড়ায় ২৫ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোনিন্ম তাপমাত্রা ২৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৩৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোনিন্ম তাপমাত্রা রাজশাহী, রাজারহাট ও রাঙ্গামাটিতে ২৫ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া গতকাল ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিন্ম তাপমাত্রা ২৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আজ সন্ধ্যায় ঢাকায় বাতাসের গতি ও দিক দক্ষিণ থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘন্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার এবং ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৫ শতাংশ। আগামিকাল ঢাকায় সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬ টা ৩৪ মিনিটে এবং সূর্যোদয় ভোর ৫ টা ৩২ মিনিটে ।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, মৌসুমী বায়ূর অক্ষের বাড়তি অংশ রাজস্থান, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বাড়তি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ূ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে সক্রিয়, দেশের অন্যত্র মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারী অবস্থায় রয়েছে।

Loading